শীতকালীন রোগ থেকে সুস্থ রাখবে যে ৫ ধরনের খাবার

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১ ২০২৫, ১৪:৩৪ হালনাগাদ: ফেব্রুয়ারি ১৭ ২০২৬, ২১:১৩

শীতকালীন ফল-সবজি সমৃদ্ধ খাবারের থালা। ছবি: এনডিটিভি

শীতকালীন ফল-সবজি সমৃদ্ধ খাবারের থালা। ছবি: এনডিটিভি

  • 0

আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রায় ৭০ ভাগই অন্ত্রের সাথে জড়িত। তাই শীতে অন্ত্রের সুস্থতার উপর অনেকটাই নির্ভর করে সুস্থতা, সক্ষমতা। যার ফলে খাবার থেকে আসা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রোবায়োটিকসের চাহিদাও বেড়ে যায়।

শীতকালে আমাদের চারপাশে আদ্রতা ও আবহাওয়ার তাপমাত্রা কমে যায়। যার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে আসে।

অন্যদিকে এ মৌসুমে নতুন নতুন ফ্লুর সংক্রমণ দেখা দেয়।তাই জ্বর,ঠাণ্ডা, কাশি থেকে বড় ধরনের রোগে আক্রান্ত হতেও সময় লাগে না। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তির পাশাপাশি শীতকালীন রোগ থেকে রক্ষা পাননা তরুণ প্রাপ্তবয়স্করাও।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, খাবারের নির্দিষ্ট কিছু উপাদান এ সময় তুলনামূলক বেশি গ্রহণ করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং শীতকালীন রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ভিটামিন সি

প্রসঙ্গ যখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, তখন সবার আগে প্রয়োজন ভিটামিন সি যুক্ত খাবার। স্বাভাবিক ও অভিযোজিত উপায়ে, দুইভাবেই শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় খাবারের এ উপাদান।

শীতের মৌসুমে যখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে, তখন এ মৌসুমের ফল, সবজিই যোগান দেয় ভিটামিন সি।

কমলালেবু, পেয়ারা, আমলকি,ব্রোকলি ভিটামিন সি এর অন্যতম উৎস।

ভিটামিন ডি

সূর্যের আলো ভিটামিন ডির গুরুত্বপূর্ণ উৎস। শীতকালে সূর্যের তাপ কমে যাওয়ায় এ ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দেয়। অন্যদিকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এ মৌসুমে ভিটামিন ডির চাহিদা আরও বেড়ে যায়। তাই বিকল্প হিসেবে খাবারে নিয়মিত ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার যেমন দুধ, ডিম, চর্বিযুক্ত মাছ রাখুন।

জিঙ্ক

জিঙ্ক হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ কার্যাবলী সচল রাখতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধী কোষ বৃদ্ধি, সেগুলো সচল রাখা ও যোগাযোগ নিশ্চিত করতে জিঙ্ক অপরিহার্য।

শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে বাদাম,বীজ,শিম, সামুদ্রিক ও শস্যজাতীয় জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন।

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফাইটোক্যামিকেল

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফাইটোক্যামিকেল দ্রি র‍্যাডিকেলস থেকে কোষ ও ডিএনএকে রক্ষা করে। পাশপাশি প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে রোগ থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে।

ঘরে থাকা হলুদ,রসুন, আদা, সবুজ-চা এ দুই পদার্থের অন্যতম উৎস। শরীরকে মৌসুমি ক্ষতি থেকে বাঁচাতে শীতে মসলাজাতীয় এসব খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রোবায়োটিকস

আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রায় ৭০ ভাগই অন্ত্রের সাথে জড়িত। তাই শীতে অন্ত্রের সুস্থতার উপর অনেকটাই নির্ভর করে সুস্থতা, সক্ষমতা। যার ফলে খাবার থেকে আসা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রোবায়োটিকসের চাহিদাও বেড়ে যায়। এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর মাইক্রোবায়োম বজায় রাখতে সাহায্য করে।

দই, কেফিরসহ বিভিন্ন দুগ্ধজাতীয় খাবার প্রোবায়োটিকসের সবচেয়ে ভালো উৎস।