ডিম সিদ্ধ করতে গেলে অনেকের ক্ষেত্রে সাধারণ দুটি সমস্যা হয়। কেউ কেউ কম সিদ্ধ করে ফেলেন। কেউ আবার করে ফেলেন বেশি সিদ্ধ। এ সমস্যার উপযুক্ত সমাধান হতে পারে বহুল প্রচলিত খাদ্যটি সিদ্ধ করার সময়জ্ঞান।
এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরেছে এনডিটিভি। এতে সিদ্ধ হওয়ার সময়ের সঙ্গে ডিমের ধরনের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
ডিম সিদ্ধ হওয়ার সময় কেন গুরুত্বপূর্ণ
ডিমের সাদা অংশ ও কুসুমের গঠন ও স্বাদের ওপর সরাসরি প্রভাব রয়েছে সিদ্ধ হওয়ার সময়ের।
অনেক কম সিদ্ধ করা হলে কুসুম ভেঙে যায়। বিপরীতে অনেক বেশি সিদ্ধ করা হলে কুসুম শুকিয়ে যায় এবং সাদা অংশ হয়ে যায় রাবারের মতো। অন্যদিকে যথাযথ সময় ধরে সিদ্ধ করলে কুসুম মনমতো শক্ত হওয়ার পাশাপাশি সাদা অংশে পরিষ্কার রং ফুটে ওঠে।
ডিম কতক্ষণ ধরে সিদ্ধ করা উচিত?
আপনি কোন ধরনের ডিম খেতে চান, তার ওপর নির্ভর করছে সিদ্ধ করার সময়।
১. স্বল্প সময় ধরে সিদ্ধ
সিদ্ধ করার সময় চার থেকে ৬ মিনিট হবে। এতে সাদা অংশ পুরোপুরি ঠিক থাকলেও কুসুম নরম ও ভঙ্গুর হবে।
২. মাঝারি ধরনের সিদ্ধ
সিদ্ধ করার সময় সাত থেকে ৯ মিনিট হবে। কুসুম পুরোপুরি শক্ত হবে না এবং গঠন হবে ননীর মতো।
৩. বেশি সময় ধরে সিদ্ধ
সিদ্ধ করার সময় হবে ১০ থেকে ১২ মিনিট। এতে কুসুম পুরোপুরি শক্ত হবে এবং অতিরিক্ত সিদ্ধ হবে না।
১২ মিনিটের বেশি সিদ্ধ করলে আয়রন ও সালফার রিঅ্যাকশনের কারণে কুসুম নীলচে ধূসর রং ধারণ করে।