ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অ্যামেরিকার প্রতিরক্ষামূলক প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের লাইসেন্স চেয়েছেন। তার দাবি, এ বিষয়ে ট্রাম্প ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।
জেলেনস্কি বলেন, ‘এটা (প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র) আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ কারণ প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের জন্য উৎপাদন কম। তবে অ্যামেরিকায় উৎপাদন আছে। আমি উৎপাদনের জন্য ট্রাম্পের কাছে লাইসেন্সের প্রস্তাব রেখেছি।’
পরে তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাম্প যখন ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন, তার মানে হলো এর উত্তর হ্যা।’
ফ্রান্সের এভিয়ান লেস বাইনস শহরে চলমান জি ৭ সম্মেলনে মঙ্গলবার বিকেলে এক বৈঠকের পর এসব কথা বলেন জেলেনস্কি।
তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে ট্রাম্পসহ, কানাডা, ফ্রান্স, ইটালি, ব্রিটেইনসহ শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে আলোচনা করেন।
সেখানে আমন্ত্রিত জেলেনস্কির লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি নিশ্চিত করা।
জেলেনস্কি জানান, জি ৭ সম্মেলনের সদস্য রাষ্ট্রগুলো ও উপস্থিত সব প্রতিনিধিই ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে সমর্থন ও সহায়তার কথা বলেছেন।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, ইউক্রেনকে পরাস্ত করতে রাশিয়া প্রতি সপ্তাহেই অন্তত কয়েকবার একসঙ্গে শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। রাশিয়ার এসব আক্রমণ প্রতিহত করতে ইউক্রেন প্রযুক্তিগত সফলতা দেখালেও, তা হামলার তুলনায় যথেষ্ট নয়।
পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় আকাশ প্রতিরক্ষায় অ্যামেরিকার প্যট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করলেও, নিজেদের জন্য বাড়তি উৎপাদন নিশ্চিত করতে অ্যামেরিকার সাহায্য প্রয়োজন।
বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের সময় অ্যামেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ এ ক্ষেপণাস্ত্রের একাংশ বরাদ্দ দিলে, ইউক্রেন আরও সংকটের মুখোমুখি হয়।