ইয়েমেনের রাজধানী সানার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তেল আবিবের কাছে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করেছে হুতিরা।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সশস্ত্র সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি রবিবার টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে এমন দাবি করেন।
আল-মাসিরাহ টিভিতে সারি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি উদ্দেশ্য পূরণে সফল হয়েছে। হামলার পর লাখো ইসরায়েলি নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এ ছাড়া বিমানবন্দরের কর্মকাণ্ড স্থগিত রাখতে হয়েছে ইসরায়েলকে।
সারির ভাষ্য, গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা ও লোকজনকে অভুক্ত রাখার অপরাধ এবং ইয়েমেনের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ওই হামলা চালানো হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানায়, এক বিবৃতিতে ইয়েমেন থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী, তবে হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কিছু জানায়নি বাহিনীটি।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজকে উদ্ধৃত করে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানায়, দক্ষিণ সানার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ হুতি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে অবকাঠামোতে রবিবার আঘাত হানে সামরিক বাহিনী।
সানার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্রে দক্ষিণ সানার হিজিয়াজ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বৈদ্যুতিক জেনারেটরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ হামলায় কেউ হতাহত হয়নি।
গত বছর থেকে স্থাপনাটি বারবার হামলার শিকার হয়েছে।
গাজায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর নভেম্বর থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে হুতিরা।
সংগঠনটির দাবি, গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে তারা এ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।