Skip to main content

স্বামীকে জীবন্ত কবর দেওয়ার পরিকল্পনা স্ত্রীর পরিবারের, অতঃপর…

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২ ২০২৫, ৯:৪৯ হালনাগাদ: এপ্রিল ২১ ২০২৬, ০:৩৯

ভুক্তভোগী স্বামী ও তার স্ত্রী। ছবি: এনডিটিভি

ভুক্তভোগী স্বামী ও তার স্ত্রী। ছবি: এনডিটিভি

  • 0

হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুন্ডা ভাড়া করতে পাঁচ ভাইকেও রাজি করান সাধনা।

ভারতের উত্তর প্রদেশের বেরোলির বাসিন্দা রাজিবকে হত্যার পরিকল্পনা করেন স্ত্রী সাধনা ও তার পরিবার। তবে জীবন্ত কবর দেয়ার সময় অলৌকিকভাবে বেঁচে যান তিনি।

এনডিটিভি জানিয়েছে, স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন সাধনা। আর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুন্ডা ভাড়া করতে তার পাঁচ ভাই - ভগবান দাস, প্রেমরাজ, হরিশ এবং লক্ষ্মণ – কেও রাজি করান তিনি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২১শে জুলাই রাতে, মোট ১১ জন লোক রাজিবের বাড়িতে আক্রমণ করে। তারা রাজিবের হাত এবং দুই পা ভেঙে দেয়। পরিকল্পনা ছিল তাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার। এজন্য রাজিবকে সিবিগঞ্জ এলাকার একটি জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। কবর দেওয়ার জন্য একটি গর্ত খননও করা হয়। তবে ভাগ্যের অন্য পরিকল্পনায় এ যাত্রায় রক্ষা পান রাজিব।

কবর দেওয়ার আগেই, একজন অপরিচিত ব্যক্তি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। যার ফলে অভিযুক্তরা তাদের পরিকল্পনা বাতিল করে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। যন্ত্রণায় কাতর রাজিব সাহায্যের জন্য চিৎকার করতেও অপরাগ ছিলেন। অপরিচিত ব্যক্তিটি তাকে উদ্ধার করেন এবং অ্যাম্বুলেন্সের সহায়তায় ভুক্তভোগীকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ যাত্রায় বেঁচে যান রাজিব। হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।

ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রাজিবের বাবা নেত্রাম পুত্রবধূ এবং তার ভাইদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পুত্রবধূ ও তার পরিবার রাজিবকে হত্যা করতে চেয়েছিল। তিনি আক্রমণকারীদের গ্রেপ্তার এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বেরেলির নবোদয় হাসপাতালে একজন চিকিৎসকের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেন রাজিব। ২০০৯ সালে সাধনার সাথে তার বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। ১৪ বছর বয়সী যশ এবং ৮ বছর বয়সী লাভ। দুজনেই একটি বেসরকারি স্কুলে পড়ে।

গ্রামে রাজিবের একটি বাড়ি ছিল, কিন্তু তিনি এবং তার স্ত্রী শহরে থাকতেন। রাজিবের বাবার দাবি, স্ত্রী গ্রামে থাকতে চাইতেন না। তাই শহরের বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন রাজিব।