ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটে ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় যাত্রীদের ওপর উচ্চ মাত্রায় ফুয়েল সারচার্জ তথা অতিরিক্ত জ্বালানি চার্জ আরোপ করছে বিমান পরিচালনাকারী বিভিন্ন এয়ারলাইন্স কোম্পানি।
সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, এস অ্যান্ড পি পরিচালিত সাম্প্রতিক এক জরিপে ওঠে এসেছে এ তথ্য।
জরিপে জানা যায়, গত এপ্রিল মাসে এয়ারলাইন্স কোম্পানিগুলো ৩ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত হারে বিমানে যাত্রা খরচ বাড়িয়েছে।
জরিপে অংশ নেওয়া বিভিন্ন এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠান জানায়, গত মাসে তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়েছে, যার প্রধান কারণ জ্বালানি ও মজুরি ব্যয় বৃদ্ধি।
ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, ইবেরিয়া, এয়ার লিঙ্গাস ও ভুয়েলিং-এর মালিক প্রতিষ্ঠান আইএজি জানিয়েছে, উচ্চ জ্বালানি ব্যয়ের কারণে তারা টিকিটের দামে ‘কিছু সমন্বয়’ করছে, যদিও এটিকে সরাসরি সারচার্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।
অন্যদিকে, ভার্জিন আটলান্টিক ইতোমধ্যে বিজনেস ক্লাস টিকিটে ৩৬০ পাউন্ড এবং ইকোনমি শ্রেণিতে ৫০ পাউন্ড পর্যন্ত অতিরিক্ত চার্জ যুক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির নতুন প্রধান নির্বাহী কর্নেল কস্টার জানিয়েছেন, চলতি বছর কোম্পানির জন্য লাভ করা কঠিন হবে।
এস অ্যান্ড পি গ্লোবালের অর্থনীতিবিদ টিম মুর জানিয়েছেন, খরচ বৃদ্ধির প্রধান কারণ পরিবহন ব্যয় ও মজুরি বৃদ্ধি।অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ওপর ফুয়েল সারচার্জ আরোপ করেছে, যার ফলে সেবা খাতে মূল্যস্ফীতি তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।