হতবাক করা একটি ঘটনার সাক্ষী হলেন পূর্ব চীনের এক ব্যক্তি। বিয়ের দীর্ঘদিন পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, দুই ছেলের কেউই তার ঔরসজাত নয়।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট-এসসিএমপি জানায়, ছেলেদের আসল পরিচয় জানার পর আদালতে সাবেক স্ত্রীর মামে মামলা করেন শ্যানদং প্রদেশের ৪৫ বছর বয়সী জিয়াং হংতাও। তিনি সন্তানের ভরণপোষণ ও শিক্ষার পেছনে ব্যয় বাবদ তিন লাখ ইউয়ান বা ৪২ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন সাবেক স্ত্রীর কাছে।
চীনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম জিমু নিউজ জানায়, ২০০২ সালে বিয়ে করেন জিয়াং। দুই বছর পর তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। ২০১৪ সালে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়।
জিয়াং জানান, ২০২২ সালে বাসায় ঘন ঘন অনুপস্থিত থাকতেন তার স্ত্রী। এ কারণে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তার।
বিচ্ছেদের বিষয়টি নিষ্পত্তিকালে একটি গাড়ি বাদে সব সম্পত্তি পান তার স্ত্রী।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে জিয়াং নতুন স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে ফেরার পর তার সাবেক স্ত্রী ও তাদের দুই সন্তান এসে সম্পত্তির ভাগ চান। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের সময় জিয়াংয়ের বড় ছেলে জিয়াং রুনজে তার বাবাকে ধাক্কা দিয়ে গলা চেপে ধরেন।
ঝগড়ার সময় রুনজে জিয়াংয়ের উদ্দেশে বলেন, ‘তুমি আমার বাবা নও।’
বিষয়টি শুনে সন্দেহ হয় জিয়াংয়ের। তিনি রুনজের একটি টুথব্রাশ নিয়ে যান ডিএনএ পরীক্ষার জন্য।
ওই পরীক্ষায় অবাক বনে যান জিয়াং। তিনি জানতে পারেন, রুনজে তার ঔরসজাত সন্তান নয়। এমনকি দ্বিতীয় ছেলেও তার ঔরসজাত নয়।
জিয়াংয়ের দাবি, তার প্রথম ছেলের বাবা গ্রামের সেক্রেটারি। অন্যদিকে দ্বিতীয় ছেলেকে জন্ম দেন জিয়াংয়ের জ্ঞাতি ভাই।
বিধ্বস্ত জিয়াংয়ের মন্তব্য, ‘আমার বিশাল ক্ষতি করেছে সাবেক স্ত্রী।’