প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি-ডিওজিই কার্যক্রমসংক্রান্ত নথি প্রকাশ এড়াতে পারবে কি না, তা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে ইউএস সুপ্রিম কোর্ট।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মঙ্গলবার এ বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের করা আপিল শুনতে সম্মত হয়েছেন আদালতের বিচারপতিরা। আগামী বছরের জুনের শেষ নাগাদ এ মামলার রায় হতে পারে।
সরকারি ব্যয় ও কর্মীসংখ্যা কমানোর উদ্দেশে ২০২৫ সালে ইলন মাস্কের নেতৃত্বে ডিওজিই গঠন করেন ট্রাম্প। সংস্থাটি গঠনের পর ব্যাপকভাবে বিভিন্ন খাতে কর্মী ছাঁটাই করা হয়।
পরে সরকারি এ সংস্থার কার্যক্রমসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের দাবিতে মামলা করে ওয়াশিংটনভিত্তিক নজরদারি সংস্থা সিটিজেনস ফর রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড এথিকস ইন ওয়াশিংটন-সিআরইডব্লিউ।
মামলার পর গত বছর এপ্রিল মাসে ফেডারেল বিচারক ক্রিস্টোফার কুপার ডিওজিইকে কিছু নথি প্রকাশের নির্দেশ দেন। তার পর্যবেক্ষণ ছিল, ডিওজিই সম্ভবত ফেডারেল ফ্রিডম অব ইনফরমেশন অ্যাক্ট এফওআইএর আওতাভুক্ত একটি সরকারি সংস্থা।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ডিওজিই কোনো ফেডারেল সংস্থা নয় বরং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পরামর্শক সংস্থার আওতাভুক্ত। এ দাবির ভিত্তিতে এখন আপিল শুনানিটি পরিচালিত হবে।
এদিকে সিআরইডব্লিউ-এর প্রধান আইন কর্মকর্তা নিকেল সুস বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সরকারি কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ সম্পর্কে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। তাই তথ্য প্রকাশের দাবিতে তারা লড়াই চালিয়ে যাবেন।
ডিওজিই দাবি করেছিল, সরকারি ব্যয় কমিয়ে তারা কয়েক হাজার কোটি ডলার সাশ্রয় করেছে। তবে সরকারি নিরীক্ষকেরা জানিয়েছেন, সাশ্রয়ের হিসাবের কিছু অংশ ভুল ছিল বা যথেষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে করা হয়নি।