Skip to main content

ইরান-অ্যামেরিকা আলোচনায় কী কী ফলাফল পাওয়া গেল

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২২ ২০২৬, ১৩:৫৬

সুইজারল্যান্ডে বৈঠক স্থলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাশে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও পেছনে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। ছবি: রয়টার্স

সুইজারল্যান্ডে বৈঠক স্থলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাশে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও পেছনে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। ছবি: রয়টার্স

  • 0

৬০ দিনের ভিতর যুদ্ধ বন্ধে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফা বাস্তবায়নে একটি রোডম্যাপ তৈরি হয়েছে। ইরান ও অ্যামেরিকা উভয় দেশই এই রোডম্যাপে সম্মতি দেয়। লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধে ইসরায়েলের আনুগত্য নিশ্চিত করতে একটি ইউনিট গঠন করা হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে ইরান-অ্যামেরিকা শান্তি আলোচনার প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে। কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত রোববার ১২ ঘণ্টাব্যাপী আলোচোনার লক্ষ্য ছিল স্থায়ী শান্তিচুক্তি স্থাপনের পথ নিশ্চিত করা। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো জানায়, ৬০ দিনের ভিতর যুদ্ধ বন্ধে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফা বাস্তবায়নে একটি রোডম্যাপ তৈরি হয়েছে। ইরান ও অ্যামেরিকা উভয় দেশই এই রোডম্যাপে সম্মতি দেয়।

এদিকে বৈঠক শুরুর ঘোষণা এমন সময় আসে, যখন লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় ইরান পুনরায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। বৈঠকটি লেবাননসহ কী কী বিষয়ে আলোচনা ও ফলাফল পেল জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন

বৈঠক শেষে কাতার ও পাকিস্তানের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আলোচনা চলাকালীন রাজনৈতিক তদারকির জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধান আলোচকরা বৈঠক শেষে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য কমিটির কাছে পেশ করবেন। কমিটির পর্যবেক্ষক সদস্যরা পারমাণবিক নিষেধাজ্ঞা ইস্যুসহ সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।

লেবাননের জন্য সংঘাত নিরসন ইউনিট

সমঝোতা স্মারকের প্রথম দফা ছিল লেবাননসহ ইরানের সব মিত্র দেশে হামলা পুরোপুরি বন্ধ করা। স্মারকটি স্বাক্ষরিত হবার পরও ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যহত রাখলে ইরান শান্তিচুক্তি আলোচনা অগ্রগতিতে অনীহা জানায়। ফলে, বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল লেবানন। বৈঠকে লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধে ইসরায়েলের আনুগত্য নিশ্চিত করতে একটি ইউনিট গঠন করা হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানের কাছে লেবাননে সংঘাত নিরসন ইউনিটের কার্যকরিতা চুক্তির আসল পরীক্ষা হিসেবে গণ্য হবে।

নিষেধাজ্ঞা ও জব্দকৃত সম্পদের সমাধান

বৈঠকের পর আরাঘচি এক এক্স পোস্টে জানান, ওয়াশিংটন তেহরানের তেল রপ্তানি, প্রেট্রোক্যামিকেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। ইরানের জব্দ হওয়া বেশকিছু সম্পদ ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং দেশটির যুদ্ধপরবর্তী পুনর্গঠনে বড় ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আরাঘচি জানান, ইরান এটিকে তাদের প্রধান শর্তগুলোর একটি পূরণ ও বড় সফলতা হিসেবে দেখছে।