ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ২০ দফা পরিকল্পনা সোমবার প্রকাশ করেছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন হোয়াইট হাউস।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের বৈঠকের দিন এ পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়।
যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকার জন্য রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের এ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার।
ইরাকে ২০০৩ সালে অ্যামেরিকান নেতৃত্বাধীন আগ্রাসনে জোরালো সমর্থনের জন্য জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার মধ্যে ২০০৭ সালে পদত্যাগ করেন ব্লেয়ার।
রয়টার্স জানায়, ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অস্থায়ীভাবে গাজা শাসনের দায়িত্বে থাকবে অরাজনৈতিক ফিলিস্তিনি কমিটি। এ কমিটি গাজার জনগণকে রোজকার সরকারি বিভিন্ন সেবা দেবে।
বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যোগ্য ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে গঠন করা হবে অরাজনৈতিক ফিলিস্তিনি কমিটি। এর তদারকি ও তত্ত্বাবধানে থাকবে আন্তর্জাতিক অন্তর্বর্তীকালীন একটি কর্তৃপক্ষ, যার নাম হবে ‘বোর্ড অব পিস’।
এ বোর্ডের সভাপতিত্ব করবেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সেই বোর্ডের একজন সদস্য হিসেবে থাকবেন টনি ব্লেয়ার।
বোর্ডের অন্য সদস্যদের নাম পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে।
স্কাই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজার অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনা পর্ষদের একজন হিসেবে টনি ব্লেয়ারের নাম ঘোষণার সময় তাকে ‘ভালো মানুষ’ হিসেবে আখ্যা দেন ট্রাম্প।
প্রেসিডেন্ট জানান, বোর্ড অব পিসে থাকবেন বিশিষ্ট নেতারা। এ বোর্ডে থাকতে চাওয়া লোকজনের একজন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। তিনি খুবই ভালো মানুষ।
গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে চলতি বছরের আগস্টে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ব্লেয়ার।