সম্প্রতি কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের একটি ঘনিষ্ঠ ছবি ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে সামাজিকমাধ্যমে।
বিতর্কিত এ ছবিটি প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ-এমন কথাও ছড়িয়েছে নেটিজেনদের মধ্যে।
নেটিজেনদের ভাষ্য, কিছুদিন আগে স্ত্রী ব্রিজিত ম্যাঁক্রোর প্রসঙ্গ টেনে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ম্যাক্রোঁকে কটাক্ষ করায় প্রতিশোধ হিসেবে মেলানিয়া-এপস্টিনের ছবিটি প্রকাশ করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।
তবে সামাজিকমাধ্যমে চর্চিত এসব বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে দাবি করেছে ফ্রান্স। পাশাপাশি এপস্টিনকে জড়িয়ে মেলানিয়ার ছবিটিও আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স তথা এআই নির্মিত চিত্র বলে জানানো হয়।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স ২৪ জানায়, ম্যাক্রোঁ নয় বরং সুনির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি ভুয়া ছবি ও তথ্য সামাজিকমাধ্যমে প্রচার করেছেন।
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, গুজবটি ছড়ানোর প্রথম দিকে যারা ভূমিকা রেখেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম মিশরীয় সাংবাদিক নাবিল ওমরান।
গত ৫ এপ্রিল ওমরান তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এপস্টিন-মেলানিয়ার ছবিটি প্রকাশ করেন এবং ক্যাপশনে লিখেন, ‘ম্যাক্রোঁ তার মর্যাদার প্রতিশোধ নিয়েছেন।”
এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক ব্যাঙ্গাত্মক অ্যাকাউন্ট এক্স-এ পলিটিক্সে ছবিটি প্রকাশ করেছিলেন টম অ্যাডেলসবাখ।
ছবিটি অনেকে আসল বলে প্রচার করায় পরবর্তিতে পোস্টের সঙ্গে সতর্কবার্তা যুক্ত করেন অ্যাডেলসবাখ। সেখানে বলা ছিল ছবিটি ‘ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবর্তিত।‘
এর আগে পহেলা এপ্রিল হোয়াইট হাউসে এক ভিডিও বার্তায় ইরান যুদ্ধে অ্যামেরিকাকে সমর্থন না করায় স্ত্রীকে টেনে প্রেসিডেন্টকে কটাক্ষ করেন ট্রাম্প।
ওই ভিডিওতে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমি ফ্রান্সে ফোন করি যখন,ম্যাক্রোঁর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী খুব খারাপ আচরণ করেন। চোয়ালে ডান হাতের ঘুষির ধাক্কা এখন সামলে উঠছেন।‘
ম্যাক্রোঁর মুখে থাপ্পড়ের ভঙ্গিতে হাত তুলছেন ব্রিজিত, গত বছর মে মাসে প্রকাশিত এমন একটি ভিডিওর প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প।
এদিকে বৃহস্পতিবার এপস্টিন প্রসঙ্গে আকস্মিক বক্তব্য দেন মেলানিয়া ট্রাম্প।
তিনি জানান, এপস্টিনের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না। কখনও এপস্টিনের যৌন নীপিড়নের শিকারও হননি তিনি।