Skip to main content

যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা করতে ইসলামাবাদ যাচ্ছেন আরাঘচি

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৪ ২০২৬, ১৪:৫৭ হালনাগাদ: এপ্রিল ২৫ ২০২৬, ৪:৪১

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

  • 0

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরানা জানিয়েছে, আরাঘচির এ সফটির হবে যুদ্ধ বন্ধ প্রসঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার উদ্দেশ্যে। এ আলোচনায় অ্যামেরিকার কোনো প্রতিনিধি অংশ নিবে না।

অ্যামেরিকার সঙ্গে চলমান সংঘাত বন্ধে আলোচনা করতে আজ (শুক্রবার) রাতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌছাতে পারেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

ইসলামাবাদের নেতাদের সঙ্গে শুক্রবার সকালে আরাঘচির একাধিক ফোনালাপের পর সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

কর্মকর্তারা জানান, আজ রাতের ফ্লাইটে আরাঘচির ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তার সঙ্গে থাকবেন ছোট একটি প্রতিনিধিদল।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, আরাঘচির এ সফরটি হবে পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধের উদ্দেশ্যে।

এ আলোচনায় অ্যামেরিকার কোনো প্রতিনিধি অংশ নিবে না। ইসলামাবাদের পর যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে রাশিয়া ও ওমানে যাবেন আরাঘচি।

এর আগে শান্তি চুক্তি স্থাপনে গত বুধবার ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

এর আগে মঙ্গলবার বৈঠকে অংশ নিতে ইসলামাবাদের পথে রওনা দিতে প্রস্তুত হয় ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, জামাতা জ্যারেড কুশনারসহ শীর্ষ কূটনৈতিক দল।

তবে শেষ মুহূর্তে ইরান সাফ জানিয়ে দেয়, হরমুজ প্রণালি ও ইরান বন্দরে অ্যামেরিকার অবরোধ না তুলে নেয়া পর্যন্ত তারা বৈঠকে অংশ নিবেন না।

এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি শান্তি আলোচনা কবে হবে- তা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত হয়ে যায়।

তবে পাকিস্তানের কর্মকর্তারা বলছেন, আরাঘচির এ ইসলামাবাদ সফর পুনরায় শান্তি আলোচনা শুরুর পথ খুলবে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইসলামাবাদের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপে যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তান সরকারের ধারাবাহিক ও গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন আরাঘচি- যা আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশের ইঙ্গিত দেয়। ওই সময় সমস্যা সমাধানে ইসহাক দার নিরবিচ্ছিন্ন সংলাপের ওপর জোর দেন।