ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রায় ২ লাখ অভিবাসীকে বিতাড়ন আইসের

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯ ২০২৫, ২৩:৫০

গুয়াতেমালা সিটির লা অরোরা বিমান ঘাঁটিতে গত ৩০ জানুয়ারি নামেন অ্যামেরিকা থেকে বিতাড়িত গুয়াতেমালার অভিবাসীরা। ছবি: রয়টার্স

গুয়াতেমালা সিটির লা অরোরা বিমান ঘাঁটিতে গত ৩০ জানুয়ারি নামেন অ্যামেরিকা থেকে বিতাড়িত গুয়াতেমালার অভিবাসীরা। ছবি: রয়টার্স

  • 0

আইস কর্তৃক বিতাড়নের এ সংখ্যা ট্রাম্পের বর্তমান প্রশাসনের অধীনে অভিবাসীদের অ্যামেরিকা থেকে বের করে দেওয়ার প্রকৃত হিসাব নয়।

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর সাত মাসে প্রায় দুই লাখ অভিবাসীকে বিতাড়ন করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইস।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানায় সিএনএন।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের এ মেয়াদে কমপক্ষে এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ অভিবাসী বিতাড়ন করে আইস। যদিও প্রশাসন ঘোষিত বিতাড়ন লক্ষ্যমাত্রা এখনও পূরণ করতে পারেনি ফেডারেল সংস্থাটি।

আইস কর্তৃক বিতাড়নের এ সংখ্যা ট্রাম্পের বর্তমান প্রশাসনের অধীনে অভিবাসীদের অ্যামেরিকা থেকে বের করে দেওয়ার প্রকৃত হিসাব নয়।

জানুয়ারিতে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর প্রায় সাড়ে তিন লাখ অভিবাসীকে বিতাড়নের বিষয়টি নথিভুক্ত করে প্রশাসন।

চলতি বছর অন্য বিতাড়নের মধ্যে রয়েছে কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন-সিবিপি ও কোস্ট গার্ডের মাধ্যমে অভিবাসীদের স্বদেশে ফেরত পাঠানো এবং স্বেচ্ছায় অ্যামেরিকা ছেড়ে অভিবাসীদের চলে যাওয়া।

ট্রাম্প ক্ষমতায় বসার আগে ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর নাগাদ ৭১ হাজার ৪০০ বিতাড়নের ঘটনা নথিভুক্ত করে আইস। সে সংখ্যাটা আমলে নিলে ২০২৫ অর্থবছরে (যেটি শেষ হচ্ছে ৩০ সেপ্টেম্বর) ফেডারেল সংস্থাটির হাতে বিতাড়ন দাঁড়াবে তিন লাখের বেশি।

এর আগে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ২০১৪ অর্থবছরে আইস প্রায় তিন লাখ ১৬ হাজার অভিবাসীকে বিতাড়ন করে।

অভিবাসন আইন বাস্তবায়নে একাধিক ফেডারেল সংস্থাকে কাজে লাগাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।

রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওয়াশিংটন ডিসির মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরে ফেডারেল বাহিনী নামিয়েছে।