Skip to main content

ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী খলিলকে আলজেরিয়া বিতাড়নের নির্দেশ

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২ ২০২৬, ১১:৪৬

ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী ও কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষার্থী মাহমুদ খলিল। ছবি: রয়টার্স

ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী ও কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষার্থী মাহমুদ খলিল। ছবি: রয়টার্স

  • 0

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, খলিল একজন হামাস সমর্থক। পাশাপাশি অ্যামেরিকার স্থায়ী নাগরিকত্ব পেতে আবেদনের নথিতে মিথ্যা বক্তব্য লিখেছিলেন তিনি।

ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী ও কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষার্থী মাহমুদ খলিলকে আলজেরিয়া ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ফেডারেল আদালত।

আইউইটনেস নিউজ জানায়, এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি-ডিএইচএস।

নিম্ন আদালতে খলিলের মুক্তি সিদ্ধান্তের রায় বাতিল করার পর এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ফেডারেল আদালত।

এর আগে গত বছর মার্চ মাসে নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে খলিলকে গ্রেপ্তার করে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইস।

খলিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ,সিরিয়ান এ অধিকারকর্মী কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিক্ষোভ গড়ে তোলার অন্যতম সংগঠক। বিক্ষোভ চলাকালীন সহিংস কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন খলিল।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, খলিল একজন হামাস সমর্থক। পাশাপাশি অ্যামেরিকার স্থায়ী নাগরিকত্ব পেতে আবেদনের নথিতে মিথ্যা বক্তব্য লিখেছিলেন তিনি।

এসব অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তাকে ৩ মাস লুইযিয়ানার একটি কারাগারে আটক রাখা হয়।

পরে খলিলের আইনজীবী ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে আবেদন করলে নিম্ন আদালত তাকে মুক্তির রায় দেয়।ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী মাহমুদ খলিলকে নিম্ন আদালত তথা ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের মুক্তির রায় বাতিল করেছে আপিল আদালত।

আইউইটনেস নিউজ জানায়, মুক্তির রায় বাতিলের সিদ্ধান্তকে বড় বিজয় হিসেবে চিহ্নিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সংবাদমাধ্যমটির খবরে উল্লেখ করা হয়, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র খলিল ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী হিসেবে ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ।

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ গড়ে তোলার অন্যতম সংগঠক, এ অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে ট্রাম্প প্রশাসন।

পরে তাকে লুইযিয়ানার একটি কারাগারে তিন মাস আটক রাখা হয়। আটক অবস্থায় পুত্র সন্তানের জন্ম হলেও তার কাছে যেতে পারেননি খলিল।

খলিলের আইনজীবীরা ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে আবেদন করলে আদালত তার মুক্তির পক্ষে রায় দেয়।

পরে আপিল আদালতে ৩ সদস্যবিশিষ্ট শুনানি গঠন করা হয়। তিনজন বিচারকের একজন রায় দেন, অভিবাসী সংক্রান্ত মামলা সরাসরি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে আনা বৈধ নয়।

এ অবস্থায় তার মুক্তির রায় বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইস আবার গ্রেপ্তার করতে পারে।

মুক্তির পর অভিবাসী সংক্রান্ত মামলা সরাসরি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে আনা বৈধ নয় জানিয়ে রায়টি বাতিল করে ফেডারেল আদালত।

পুনরায় বিচারের পর তাকে আলজেরিয়া ফেরত পাঠানোর রায় এসেছে।

তবে বিক্ষোভে সহিংস কার্যক্রমের অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করেছেন খলিল।