Skip to main content

কেন গ্রাহকদের জন্য দাম কমাচ্ছে ব্রুকলিনের এই মুদি দোকান?

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২১ ২০২৫, ৭:৩৪ হালনাগাদ: এপ্রিল ১১ ২০২৬, ১৪:৪২

জুবিলি মার্কেটের মালিক ইয়ং কিম। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

জুবিলি মার্কেটের মালিক ইয়ং কিম। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

  • 0

এই মুহূর্তে মুনাফা কম হলেও প্রতিটি একক আইটেমের মুল্য হ্রাস করেছে দোকানটির মালিক।

সাম্প্রতিক মুদ্রাস্ফীতি প্রায় সকলের ওপরেই প্রভাব ফেলেছে। মানিব্যাগ খালি করছে অনেকের। মুদ্রাস্ফীতির থাবা থেকে বাদ যায়নি ব্রুকলিনের মুদি দোকানগুলোও।

তবে পণ্যের দাম বাড়ার হিড়িকের মধ্যেই এক ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছে ব্রুকলিনের গ্রিনপয়েন্টের জুবিলি মার্কেট।দোকানের মালিক ইয়ং কিম পণ্যের দাম বাড়ানোর পরিবর্তে গ্রাহকদের জন্য দাম কমিয়ে দিচ্ছেন।

গ্রিনপয়েন্টের জুবিলি মার্কেটের মালিক ইয়ং কিম শুক্রবার রাতে তার দোকানের সকল পণ্যের মূল্য পুনরায় নির্ধারণ করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে যা শেখানো হয়েছিলো আমি তার বিরুদ্ধেই যাচ্ছি।’

২০২৫ সালে এসে মুদি ব্যবসা কিমকে একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে এনে দাঁড় করিয়েছে। তার মতে, এখন অনেক বেশি প্রতিযোগিতা চলছে।

জুবিলি মার্কেটের একজন গ্রাহক অ্যান্থনি এস্তেভেজ। তিনি মনে করেন বড় চেইন স্টোরগুলোর ক্রয় ক্ষমতা আছে। তাই তারা পাইকারদের কাছ থেকে আরও ভালো ডিল পেয়ে থাকে। যা তাদের মুদ্রাস্ফীতির সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে সহায়তা করে। ফলে তাদের অফারগুলো ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে।

এস্তেভেজ বলেন, ‘কখনও কখনও আমরা ২০ থেকে ৩০ ডলারের মতো সাশ্রয় করার জন্য এলআইসি বা উইলিয়ামসার্গে ট্রেডার জোতে যেতাম। তবে সত্যি বলতে আমরা যদি আমাদের বাড়ি থেকে দুই বা তিন ব্লক দূরে অবস্থিত দোকান থেকেই এই সাশ্রয় করতে পারি তাহলে সেটি অবশ্যই অসাধারণ ব্যাপার।’

কিম তার গ্রিনপয়েন্ট কমিউনিটির অভিযোগগুলো শোনেন। তিনি এসব অভিযোগগুলো নিয়ে ভাবেন এবং অতিরিক্ত মুনাফা ছেড়ে দেন। এই মুহূর্তে তার মুনাফা কম হলেও তিনি প্রতিটি একক আইটেমের মুল্য হ্রাস করেছেন।

এ বিষয়ে কিম বলেন, একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সেখানে থাকবে কিনা সে সিদ্ধান্ত কখনই বাড়িওয়ালা কিংবা ব্যবসায়ের মালিক নিতে পারেন না। এটি সবসময় নির্ধারণ করেন ঐ কমিউনিটিতে বসবাস করা লোকজন।

কিম অবশ্যই তার কমিউনিটির মানুষের সুবিধার জন্য একটি বড় ঝুঁকি নিচ্ছেন। তবে নিউ ইয়র্ক সিটিতে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাওয়া একজন ব্যবসায়ীর পক্ষে আসলে এটি কি সম্ভব?

বিষয়টি উদ্বেগের হলেও ৩৪ বছর বয়সী কিম মনে করেন অতিরিক্ত মুনাফার মার্জিন আমাদের তৈরি করা। ফলে আমারা যদি হঠাৎ করে আমাদের পণ্যের দাম কমিয়ে বিক্রি করি তাহলে ধরে নেয়া হয় সম্ভবত ব্যবসায়টি বন্ধ হতে যাচ্ছে।

এখনও অবিবাহিত আছেন কিম। বলেন, নিজের দোকানের সাথেই বিয়ে হয়ে গেছে তার। তবে সব ছাপিয়ে কিম আশা করছেন তার নেয়া এই ঝুঁকির সুফল অবশ্যই মিলবে।