Skip to main content

টেকসই উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা বেকারত্ব: প্রধান উপদেষ্টা

আপেল মাহমুদ, নিউ ইয়র্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬ ২০২৫, ০:০৯ হালনাগাদ: জুন ১৮ ২০২৬, ৫:৩৪

জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে ডক্টর ইউনূস। ছবি: প্রেস উইং

জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে ডক্টর ইউনূস। ছবি: প্রেস উইং

  • 0

প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সুফল যেন লোভের প্রাচীরে বন্ধ রাখা না হয়, সে বিষয়ে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বেকারত্বকে টেকসই উন্নয়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যুবকদের অন্তর্ভুক্তি ছাড়া টেকসই বৈশ্বিক অগ্রগতি সম্ভব নয়।

প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সুফল যেন লোভের প্রাচীরে বন্ধ রাখা না হয়, সে বিষয়ে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে বৃহস্পতিবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ডক্টর ইউনূস এসব কথা বলেন।

এদিকে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ডিক স্কুফের সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশের গ্রামে হিমাগার সুবিধা স্থাপনের জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

নিউ ইয়র্কে ‘যুবদের জন্য বিশ্ব কর্মসূচি’র ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজন করা হয় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। এতে অংশ নেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।

এমন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে আমন্ত্রণের জন্য চেয়ারপারসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যুবকরাই বিশ্বে পরিবর্তনের এজেন্ট, তবে তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেজ্ঞ বেকারত্ব।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যুবদের অধিকার, নিরাপদ স্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

আগামী প্রজন্মের সুরক্ষিত পৃথিবীর জন্য এসব সুযোগের বিকল্প নেই বলেও মনে করেন ডক্টর ইউনূস।

পরে সেখানে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থার আয়োজনে আরেকটি উচ্চপর্যায়ের সাইডলাইন বৈঠকে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা।

সবার জন্য মানবাধিকার নিশ্চিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করা আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ডাচ প্রধানমন্ত্রী ডিক স্কুফের সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের গ্রামে হিমাগার সুবিধা স্থাপনের জন্য নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের কৃষি প্রযুক্তির বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

জাতিসংঘের সদরদপ্তরে আলবেনিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন প্রধান উপদেষ্টা।

দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পতিরক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তারা আলোচনা করেন।

পরে বাংলাদেশের শ্রম অধিকার নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় যোগ দেন ডক্টর ইউনূস।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শ্রম অধিকার রক্ষায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।