কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন-ডব্লিওএইচও।
সংস্থাটির মহাপরিচালক ডক্টর তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বুধবার এক ব্রিফিংয়ে জানান, ইতোমধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণে অন্তত ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভাইরাসে আক্রান্ত ৬০০জনের বেশি সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৫১জন নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে কঙ্গো সরকার।
ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-সিডিসি জানিয়েছে, কঙ্গোতে আক্রান্তদের মধ্যে অন্তত একজন অ্যামেরিকান রয়েছেন। পাশাপাশি ২জন অ্যমেরিকান সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন।
কঙ্গোতে আক্রান্ত ওই অ্যামেরিকান হলেন, পিটার স্টাফোর্ড। তিনি দেশটির বুনিয়া শহরে বার্ন কেয়ার হাসপাতালের সার্জন হিসেবে কর্মরত।
উচ্চ-ঝুঁকিতে থাকা বাকি ২ অ্যামেরিকান হলেন, স্টাফোর্ডের স্ত্রী ডক্টর রেবেকা স্টাফোর্ড, ডক্টর প্যাট্রিক লারোশেল । পিটারসহ তিনজনকে কোয়ারেন্টাইনের জন্য কঙ্গো থেকে জার্মানিতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে ইবোলার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়া কঙ্গোর পার্শ্ববর্তী দেশ উগান্ডার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির দুজন নাগরিক এরিমধ্যে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
মূলত ভাইরাসটির বিপজ্জনক ধরন বান্ডিবুগিও এ প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বান্ডিবুগিও ধরনের ইবোলা ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক এখনো আবিস্কৃত হয়নি।