ইরান হামলা
নিউ ইয়র্ক সিটিতে বিক্ষোভ ও উদযাপনে বিভক্ত দুই দল

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৩ ২০২৬, ২০:১৪ হালনাগাদ: মার্চ ৩ ২০২৬, ২৩:৩৪

ইরানে যুদ্ধের প্রতিবাদে নিউ ইয়র্কের সড়কে বিক্ষোভ। ছবি: এনডিটিভি

ইরানে যুদ্ধের প্রতিবাদে নিউ ইয়র্কের সড়কে বিক্ষোভ। ছবি: এনডিটিভি

  • 0

একদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে চলছে সিটি জুড়ে চলছে উৎসবের আমেজ। অন্যদিকে খামেনিকে হত্যায় চরমভাবে সীমা অতিক্রম হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

ইরানের ওপর হামলার জেরে নিউ ইয়র্ক সিটি জুড়ে দেখা গেছে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া।

একদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে চলছে সিটি জুড়ে চলছে উৎসবের আমেজ। অন্যদিকে খামেনিকে হত্যায় চরমভাবে সীমা অতিক্রম হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

এমনকি সিটিতে বসবাসরত ইরানি অভিবাসীরাও জানিয়েছেন মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ মনে করেন, চলমান পরিস্থিতি তাদের দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ হতে পারে।

কেউ কেউ ঘটে যাওয়া হত্যা ও হামলার প্রতিবাদ জানান।

আইউইটনেস নিউজ জানায়, নিউ ইয়র্ক সিটির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র টাইমস স্কয়ারে সোমবার জড়ো হয় খামেনি হত্যা সমর্থনকারী একটি দল। নেচে-গেয়ে আহ্বান জানায় ইরানে নতুন শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার।

অন্যদিকে ম্যানহাটনের কলম্বাস সার্কেলে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে জড়ো আরেকটি দল।

এমন বাস্তবতায় সিটিতে সম্ভাব্য হামলা, সংঘর্ষ পরিস্থিতি এড়াতে বাড়তি সতর্ক ব্যবস্থা জারি করেছে সিটির বিভিন্ন পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে ইরানের ওপর হামলার পরপর মঙ্গলবার ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব পুরিমকে ঘিরে নিউ ইয়র্ক সিটিতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট-এনওয়াইপিডি।

এনওয়াইপিডি জানায়, উৎসব ও সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় সিটিতে ইহুদিদের স্থাপনা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বসতিগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল সোমবার এক এক্স পোস্টে জানান, ইরানের ওপর হামলার ফলে নিউ ইয়র্ক গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠেছে।

এ অবস্থায় গোয়েন্দা সংস্থা, সাইবার কর্মকর্তাসহ ফেডারেলের বিভিন্ন বিভাগকে সমন্বয় সাধনের মধ্য দিয়ে স্টেইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন হোকুল।

এনওয়াইপিডি সিটির বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালীন সাবওয়ে স্টেশন, সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট ও ড্রোনের ব্যবহার দেখা যাবে।