২০২৬ সালের জন্য নয়টি দেশের নাগরিকদের পর্যটন ও কর্ম ভিসা আবেদন স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ফলে আফ্রিকা ও এশিয়ার এই দেশগুলোর নাগরিকরা আপাতত ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবে না।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে উগান্ডা, সুদান, সোমালিয়া, ক্যামেরুন, লিবিয়া, আফগানিস্তান, ইয়েমেন, লেবানন এবং বাংলাদেশ। সরকারি অভিবাসনের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছ। এতে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশের আবেদন প্রক্রিয়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার এখনও ভিসা নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত কারণ প্রকাশ করেনি, বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে নিরাপত্তা, কূটনৈতিক সম্পর্কের উত্তেজনা এবং কোভিড-১৯ মহামারির সময় চালু স্বাস্থ্যসংক্রান্ত প্রোটোকল এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সম্প্রতি বিবিসির একটি অনুসন্ধানে দুবাইয়ে যৌন পাচারকারী চক্রের মূল হোতা হিসেবে উগান্ডার নাগরিকের নাম সামনে আসার পরেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এই নিষেধাজ্ঞায় প্রভাবিত দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা ও পর্যটন সম্পর্ক ইতোমধ্যে ধীর হয়ে গেছে। আরব আমিরাত এ অঞ্চলের মানুষদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চাকরির উৎস। দেশটি থেকে পাঠানো টাকা এসব দেশে থাকা প্রবাসীদের পরিবারের খরচ ও দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে বাংলাদেশ ও কয়েকটি আফ্রিকার দেশের শ্রমিকরা নতুন চুক্তি পাওয়া বা কাজের অনুমতি নবায়নে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে কার্যকর হওয়া নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা সাধারণ যাত্রা নিষেধাজ্ঞার মতো নয়।ঘোষণা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকরা নতুন পর্যটক বা কর্মী ভিসার আবেদন করতে পারবেন না তবে যারা ইতোমধ্যেই বৈধ ভিসা নিয়ে আরব আমিরাতে থাকছেন তাদের ওপর এই নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাব পড়বে না।