Skip to main content

আফগানিস্তানের নতুন আইন:
নীরবতাই 'কুমারী' মেয়ের বিয়ের সম্মতি, বয়ঃসন্ধির আগে বিয়ে দিতে পারবেন বাবা-দাদা

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১৭ ২০২৬, ১৬:৫৬

ক্ষমতাসীন তালেবান শাসন আমলে হবু স্বামীর সঙ্গে ১১ বছর বয়সী বালিকা।

ক্ষমতাসীন তালেবান শাসন আমলে হবু স্বামীর সঙ্গে ১১ বছর বয়সী বালিকা।

  • 0

নথিতে সবচেয়ে বিতর্কিত অংশে বলা হয়েছে, ‘কুমারী’ মেয়ের নীরবতা বিয়ের সম্মতি বলে বিবেচিত হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে বাবা ও দাদা অপরিণত(বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছায়নি এমন) ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দিতে পারবেন।

আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসার পর তালেবান সরকার দেশটির নারীদের শিক্ষা, স্বাধীনতা, অধিকার বিষয়ে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এবার মেয়েদের বিয়ের বিষয়ে নতুন করে আরেকটি বিতর্কিত আইন জারি করা হয়েছে।

বিয়ে, বিচ্ছেদ ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে সম্পর্কিত নতুন এ পারিবারিক আইনে বলা হয়েছে, কুমারী মেয়ের নীরবতাই বিয়ের ক্ষেত্রে সম্মতি হিসেবে গণ্য হবে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

৩১ অনুচ্ছেদের এ অধ্যাদেশের নাম দেওয়া হয়েছে, ‘স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ সংক্রান্ত নীতিমালা। ক্ষমতাসীন দল তালেবান ও দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা আইনটি পাস করেছেন।

অ্যামেরিকা ভিত্তিক আফগান সংবাদমাধ্যম আমু টিভি জানায়, তালেবান শাসনাধীন বিবাহ-বিরোধ, বিচ্ছেদ, অভিভাবকত্ব ও বিয়ে বাতিলের প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সরকারি গেজেটে আইনটি সম্পর্কিত নথি প্রকাশ করা হয়।

নথিতে সবচেয়ে বিতর্কিত অংশে বলা হয়েছে, ‘কুমারী’ মেয়ের নীরবতা বিয়ের সম্মতি বলে বিবেচিত হবে। তবে একজন পুরুষ ও পূর্বে বিবাহিত(তালাকপ্রাপ্তা, বিধবা) নারীর নীরবতাকে সম্মতি হিসেবে ধরা হবে না।‘

এছাড়াও নথিতে আরও বলা হয়েছে, বিশেষ ক্ষেত্রে বাবা ও দাদা অপরিণত(বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছায়নি এমন) ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দিতে পারবেন। অভিভাবক হিসেবে তাদের বিশেষ কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সামাজিকভাবে পাত্র বিয়ের যোগ্য বলে স্বীকৃত হতে হবে এবং মোহরানা ধর্মীয় মানদণ্ড অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।