
এইচ-১বি ভিসার জন্য ১ লাখ ডলার ফি নির্ধারণ ট্রাম্পের

টিবিএন ডেস্ক
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৯ ২০২৫, ২২:০৬ হালনাগাদ: মার্চ ৫ ২০২৬, ২:০১

অ্যামেরিকার পাসপোর্টের পাশে ‘এইচ-১বি’ লেখা। গ্রাফিক্স: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
- 0
ব্যাপক দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগের এ কর্মসূচিতে আরও কিছু পরিবর্তন এনেছেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।
এইচ-১বি কর্মী ভিসার আবেদনের জন্য বার্ষিক এক লাখ ডলার ফি নির্ধারণের একটি ঘোষণায় শুক্রবার সই করেছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
একই সঙ্গে ব্যাপক দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগের এ কর্মসূচিতে আরও কিছু পরিবর্তন এনেছেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি শনিবার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, অভিবাসনের বিরুদ্ধে বৃহত্তর কঠোর ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ভিসাটির ব্যবহার কমাতে এমন উদ্যোগ নিতে চাইছেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।
ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ট্রাম্প শুক্রবারই একটি ঘোষণায় সই করতে পারেন। এর মধ্য দিয়ে আবেদনের জন্য নির্ধারিত লাখ ডলার ফি পরিশোধ না করলে বন্ধ হয়ে যাবে এইচ-১বি ভিসায় প্রবেশাধিকার।
এইচ-১বি কর্মসূচির অধীনে বিদ্যমান বেতনের স্তরেও পরিবর্তন আনতে চাইছেন ট্রাম্প, যার লক্ষ্য এ ভিসার ব্যবহার সীমিতকরণ।
অ্যামেরিকার প্রযুক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লোক সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর জন্য এইচ-১বি কর্মসূচি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ কর্মসূচির মাধ্যমেই কারিগরি পদগুলোতে বিদেশি কর্মী নিয়োগ পদ দিতে পারে কোম্পানিগুলো।
ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস-ইউএসসিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, অ্যামাজনের জন্য ২০২৫ সালে ১০ হাজার এইচ-১বি ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়। অন্যদিকে মাইক্রোসফট ও মেটার জন্য একই ধরনের ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয় পাঁচ হাজার করে।
রয়টার্সের আগে এইচ-১বি ভিসা আবেদন নিয়ে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ সইয়ের ইচ্ছার বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে ব্লুমবার্গ।
ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রভাব এরই মধ্যে পড়া শুরু হয়েছে।
এইচ-১বি ভিসাধারীদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল আইটি সার্ভিসেস কোম্পানি কগনিজ্যান্ট টেকনোলজি সল্যুশন্স করপোরেশনের শেয়ারের দর শুক্রবার কমেছে পাঁচ শতাংশ।
অ্যামেরিকার অনেক প্রযুক্তি কর্মীসহ এইচ-১বি ভিসার সমালোচকরা মনে করেন, এ ভিসাকে ব্যবহার করে বেতন কমিয়ে দেয় কোম্পানিগুলো। এ ছাড়া এর মাধ্যমে অ্যামেরিকানদের ডিঙিয়ে অন্যদের চাকরি দেওয়া হয়।
এনডিটিভি জানায়, গত বছর এইচ-১বি ভিসার সবচেয়ে বড় সুফলভোগী ছিল ভারত।
এইচ-১বি ভিসার অনুমোদন পাওয়া সুফলভোগীদের ৭১ শতাংশ ছিলেন ভারতীয়। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনাদের ক্ষেত্রে এ হার ১১ দশমিক ৭ শতাংশ।
বিশেষায়িত পেশায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য সংরক্ষিত ভিসা কর্মসূচি এইচ-১বি। এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায়ই প্রযুক্তি খাতে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়।