ফিলিস্তিনের গাজার নিয়ন্ত্রক দল হামাসকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উপত্যকায় পুলিশ বাহিনী হিসেবে কাজ করতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
তার ইঙ্গিত অনুযায়ী, ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে এ ভূমিকায় থাকবে সশস্ত্র সংগঠনটি।
এবিসি নিউজ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে চড়া ট্রাম্পকে হামাসের নতুন করে সশস্ত্র হওয়ার খবর জানান এক প্রতিবেদক।
এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তারা (হামাস) দাঁড়াচ্ছে এ কারণে যে, তারা সমস্যা বন্ধ করতে চায় এবং বিষয়টি লুকায়নি তারা এবং আমরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাদের অনুমোদন দিয়েছি।’
ট্রাম্পের ভাষ্য, দুই বছর ধরে যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবনে ফিরছেন, যেগুলো বিধ্বস্ত। গাজায় অনেক বাজে কিছু ঘটনা ঘটতে পারে।
‘আমরা একে (গাজা) নিরাপদ দেখতে চাই। আমি মনে করি এটি সুন্দর হতে যাচ্ছে। কে জানে? নিশ্চিতভাবে কে জানে? তবে আমি মনে করি, এটি সুন্দর হতে যাচ্ছে’, বলেন ট্রাম্প।
এ বিষয়ে জানতে এবিসি নিউজ যে প্রশ্ন করে, তার উত্তর তাৎক্ষণিকভাবে দেয়নি হোয়াইট হাউস।
অ্যামেরিকার মধ্যস্থতায় হওয়া শান্তি চুক্তির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন শুরু হয় শুক্রবার।
এ ধাপের শর্ত ছিল, গাজায় থাকা সব জীবিত ও মৃত বন্দিকে ফেরত দেবে হামাস। অন্যদিকে হাজারো ফিলিস্তিনি বন্দিকে কারামুক্তি দেবে ইসরায়েল। এ ছাড়া গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের আংশিক প্রত্যাহার করা হবে।
ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণের কথা বলার পাশাপাশি গাজার ভবিষ্যৎ সরকারে সংগঠনটির কোনো ভূমিকা থাকবে না বলে জানানো হয়েছে, তবে চুক্তির প্রথম ধাপের আওতাভুক্ত নয় সে সংক্রান্ত দফা।
দক্ষিণ ইসরায়েলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার দিনে বন্দি করে গাজায় নেওয়া ২০ জন সোমবার নিজ দেশে ফিরেছেন।
অন্যদিকে কারাগারগুলোতে বন্দি প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল।
ট্রাম্প সোমবার জানান, গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, তবে এ নিয়ে বিশদ কিছু জানাননি তিনি।