ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলার আরেক জাহাজে অ্যামেরিকার হামলায় তিনজন নিহত

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৫ ২০২৫, ২২:৩৯ হালনাগাদ: নভেম্বর ২৩ ২০২৫, ১১:৪৭

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দ্বিতীয়বারের মতো মাদকবাহী সন্দেহে নৌযানে হামলা চালাল অ্যামেরিকা। ছবি: রয়টার্স

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দ্বিতীয়বারের মতো মাদকবাহী সন্দেহে নৌযানে হামলা চালাল অ্যামেরিকা। ছবি: রয়টার্স

  • 0

নিজ সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, সোমবার সকালে তার আদেশে চরম সহিংস মাদক পাচার গোষ্ঠী ও মাদক সন্ত্রাসীদের ওপর যথাযথভাবে শনাক্তকৃত দ্বিতীয় গতিময় হামলা চালিয়েছে অ্যামেরিকার সামরিক বাহিনী।

ভেনেজুয়েলার অবৈধ মাদক কারবারে যুক্ত অপরাধী চক্রের আরেকটি জাহাজে অ্যামেরিকার সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

এ নিয়ে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দ্বিতীয়বারের মতো মাদকবাহী সন্দেহে নৌযানে হামলা চালাল অ্যামেরিকা।

সর্বশেষ হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার কথা জানিয়ে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট বলেন, হামলাটি হয়েছে আন্তর্জাতিক জলসীমায়।

রয়টার্স জানায়, জাহাজটিতে মাদক থাকার যে দাবি ট্রাম্প করেছেন, তার পক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করেননি তিনি।

নিজ সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, সোমবার সকালে তার আদেশে চরম সহিংস মাদক পাচার গোষ্ঠী ও মাদক সন্ত্রাসীদের ওপর যথাযথভাবে শনাক্তকৃত দ্বিতীয় গতিময় হামলা চালিয়েছে অ্যামেরিকার সামরিক বাহিনী।

তিনি জানান, সাউদার্ন কমান্ড তথা সাউথকমের আওতাধীন এলাকায় এ হামলা চালানো হয়।

দক্ষিণ ও মধ্য অ্যামেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের ৩১টি দেশে সামরিক কর্মকাণ্ডের দায়িত্বে রয়েছে সাউথকম।

ট্রাম্প বলেন, এসব চরম সহিংস মাদক পাচারকারী গোষ্ঠী অ্যামেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা, পররাষ্ট্র নীতি ও গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ট্রাম্পের পোস্টে প্রায় ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও যুক্ত করা হয়েছে। এর ওপরে রয়েছে ‘আনক্লাসিফায়েড’ লেখা।

ভিডিওতে দেখা যায়, পানিতে থাকা একটি জাহাজে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরছে।

হামলার বিষয়ে সোমবার অন্য এক সময়ে ট্রাম্প দাবি করেন, অ্যামেরিকার হাতে প্রমাণ আছে। মহাসাগরজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে জাহাজ, যেগুলোতে কোকেন ও ফেন্টানিলের বড় বড় ব্যাগ রয়েছে।

ট্রাম্প যে ভিডিওটি প্রকাশ করেছেন, তা এআই টুল দিয়ে প্রাথমিক যাচাইয়ের চেষ্টা করেছে রয়টার্স। ফুটেজটির অংশবিশেষ ব্লার করা। এর ফলে ভিডিওটিতে কোনো কারসাজি করা হয়েছে কি না, নিশ্চিত করা অসম্ভব। এরপরও যাচাই প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে রয়টার্স।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভেনেজুয়েলার যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।