শাটডাউনে যে ক্ষতি নিউ জার্সির বাংলাদেশিদের

সুব্রত চৌধুরী, নিউ জার্সি

প্রকাশিত: নভেম্বর ২ ২০২৫, ২১:৩৯

শাটডাউনের প্রভাব নিয়ে টিবিএনের সঙ্গে কথা বলেন নিউ জার্সির বাসিন্দা বাংলাদেশি এক ব্যবসায়ী। ছবি: টিবিএন

শাটডাউনের প্রভাব নিয়ে টিবিএনের সঙ্গে কথা বলেন নিউ জার্সির বাসিন্দা বাংলাদেশি এক ব্যবসায়ী। ছবি: টিবিএন

  • 0

শাটডাউনের কারণে নিউ জার্সি প্রবাসী বাংলাদেশিদের নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। যারা ফেডারেল সরকারের অধীনে চাকরি করছেন, তাদের অনেককে সাময়িক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। বেশ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন তারা।

অ্যামেরিকায় চলছে ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ শাটডাউন, যার প্রভাবে ভোগান্তিতে পড়েছেন দেশটির ফেডারেল কর্মীরা।

এ শাটডাউনের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেও।

শাটডাউন এরই মধ্যে গড়িয়েছে পঞ্চম সপ্তাহে। বেশ কয়েকবার চেষ্টার পরও এ অচলাবস্থা কাটাতে ব্যর্থ হয়েছে সিনেট।

সরকারে অচলাবস্থার বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে ভ্রমণ, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে।

তহবিল বন্ধ থাকায় অনেক সরকারি সংস্থা কার্যত স্থবির। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের জীবনযাত্রায় অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে।

যে ক্ষতি নিউ জার্সিতে থাকা বাংলাদেশিদের

শাটডাউনের কারণে নিউ জার্সি প্রবাসী বাংলাদেশিদের নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। যারা ফেডারেল সরকারের অধীনে চাকরি করছেন, তাদের অনেককে সাময়িক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। বেশ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন তারা।

নিউ জার্সিতে থাকা এক বাংলাদেশি বলেন, ‘শাটডাউনের কারণে আমরা প্রবাসীরা ভীষণ বেকায়দায় আছি। আশা করি তা অচিরেই উইথড্র হবে এবং নরমাল অবস্থায় ফিরে আসবে।’

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আরেক বাংলাদেশি বলেন, ‘শাটডাউনের কারণে আমরা বাংলাদেশি যারা স্মল বিজনেস এখানে করতেছি, তারা অত্যন্ত দুরাবস্থার ভিতরে আছি। আশা রাখি যে, শাটডাউন দ্রুত শেষ হয়ে যাবে এবং পরিস্থিতি সুন্দরভাবে ফিরে আসবে।’

ব্যবসায় স্থবিরতা

শাটডাউনের কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেমে এসেছে স্থবিরতা। আগের তুলনায় তাদের প্রতিষ্ঠানের বিক্রিও অনেক কমে গেছে।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সচল রাখতে তারা এখন হিমশিম খাচ্ছেন।

এ নিয়ে নিউ জার্সির একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক এক বাংলাদেশি বলেন, ‘শাটডাউনের কারণে আমাদের এখানে ব্যবসা একদম স্লো। কাস্টমার নাই; একেবারে ফাঁকা।

‘আমরা চাই যত তাড়াতাড়ি এটা সম্ভব শেষ হলে আমাদের মোটামুটি সাহায্য দেখতে পারব।’

বাংলাদেশিদের ভোগান্তি নিয়ে এক তরুণ বলেন,‘আমার আসলে খুব খারাপ লাগে। বিকজ আমি দেখতেছি যে, আমাদের কমিউনিটি খুব সাফার করছে রাইট নাউ অ্যান্ড আমি হোপ করি যে, সবকিছু ঠিক হয়ে যায় আর শুদ্ধ হয়ে যায় জানি। এ রকম, মানে মানুষকে এ রকম না দেখতে হয়।’

প্রবাসীরা আশা করছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনপ্রণেতারা মতৈক্যে পৌঁছে অবসান ঘটাবেন শাটডাউনে সৃষ্ট অচলাবস্থার।