ইরানকে ঘিরে অ্যামেরিকা–ইসরাইল সংঘাতের মধ্যে গোলাবারুদে সজ্জিত অ্যামেরিকান বিমানবাহিনীর একটি বি-৫২ স্ট্র্যাটোফরট্রেস বোমারু বিমান, মঙ্গলবার বৃটেইনের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করেছে।
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “মঙ্গলবার রাতেই একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে”—কারণ ইরান ওয়াশিংটন সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম গ্রহণের কোনো লক্ষণ দেখায়নি।
ট্রাম্প ইরানকে ওয়াশিংটন সময় রাত ৮টা—যা তেহরানে ভোর ৩টা ৩০ মিনিট—পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন, যাতে তারা উপসাগরীয় তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেয়। অন্যথায়, অ্যামেরিকা ইরানের প্রতিটি সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ইরান জানিয়েছে, এমন হামলা হলে তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে অ্যামেরিকার মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানবে—যাদের মরুভূমির শহরগুলো বিদ্যুৎ ও পানির অভাবে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমা যত ঘনিয়ে আসে, ততই দিনভর ইরানে হামলা জোরদার হয়। রেল ও সড়ক সেতু, একটি বিমানবন্দর এবং একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় হামলা চালানো হয়। অ্যামেরিকান বাহিনী ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল অবস্থিত খার্গ দ্বীপেও হামলা চালায়—যা দখলের কথাও ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এর জবাবে ইরান ঘোষণা দেয়, তারা আর উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর অবকাঠামোতে হামলা থেকে বিরত থাকবে না। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছে, উপসাগরে একটি জাহাজ এবং সৌদি আরবের একটি বড় পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে।