Skip to main content

অনুমতি ছাড়াই ইউক্রেইনে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করেছিলেন হেগসেথ

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১০ ২০২৫, ১:২৪

ছবিঃ ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথ

ছবিঃ ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথ

  • 0

হোয়াইট হাউযের অনুমতি না নিয়েই ইউক্রেইনে অস্ত্র সরবরাহ স্থগিত করার অভিযোগ উঠেছে ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথ বিরুদ্ধে। একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার সিএনএন জানায়, হেগসেথের একতরফা এই সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে বিব্রত করেছে।

আকাশ প্রতিরক্ষা ও গাইডেড ক্ষেপনাস্ত্রসহ বেশ কয়েক ধরণের অস্ত্র ইউক্রেইনে আর সরবরাহ করা হবে না বলে গত পহেলা জুলাই জানিয়ে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউযের এক কর্মকর্তা তখন বলেছিলেন, অস্ত্রের মজুদ ঠিক রাখতে, অ্যামেরিকা ফার্স্ট নীতির আওতায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ইউক্রেইনে রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় ক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে, গত ৭ জুলাই কিয়িভে অস্ত্র সরবরাহ আবার চালুর ঘোষনা দেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে চালান বন্ধের সিদ্ধান্ত কে নিয়েছিল তা নিয়ে গত মঙ্গলবার সংবাদকর্মীরা প্রশ্ন করলে, তা এড়িয়ে যান ট্রাম্প।

ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথ বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, হোয়াইট হাউযের অনুমতি না নিয়েই ইউক্রেইনে অস্ত্র সরবরাহ স্থগিত করেছিলেন তিনি। একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার সিএনএন জানায়, হেগসেথের একতরফা এই সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে বিব্রত করেছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায়, ইউক্রেইনে আবার অস্ত্র সরবরাহ চালুর পাশাপাশি, কংগ্রেসের কাছে ট্রাম্প প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে হয়েছে বলে জানিয়েছে এই সংবাদমাধ্যম। প্রতিবেদক য্যাকারি কোহেন বলেন, হেগসেথের খামখেয়ালী আচরণ প্রমান করে, ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে চলছে তুমুল বিশৃংখলা।

এই প্রসঙ্গে মন্তব্যে, হাউয মাইনোরিটি লিডার হাকিম জেফরিয বলেন, নিজেকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অযোগ্য ডিফেন্স সেক্রেটারি হিসেবে প্রমাণ করেছেন হেগসেথ। এই কর্মকর্তাকে দ্রুত বরখাস্ত করা উচিৎ বলেও মনে করেন তিনি।

এমএসএনবিসির বিশ্লেষক জনাথান লেমায়ার বলেন, ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্র ইউক্রেইন। এখানে করে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে এই ডিফেন্স সেক্রেটারি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন একটি কাজ করেছেন বলে মনে করেন লেমায়ার।

এদিকে, ডিফেন্স সেক্রেটারির মতো গুরত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে পিট হেগসেথ অযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন ইনডিপেনডেন্ট ভেটেরানস অফ অ্যামেরিকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পল রিকহফ। হেগসেথ ধীরে ধীরে প্রেসিডেন্টের ভরসা হারাচ্ছেন বলেও মনে করেন তিনি।