ক্যারিবীয় সাগরে কথিত মাদকবাহী জাহাজে অ্যামেরিকার হামলায় ছয় ‘মাদক-সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছেন বলে শুক্রবার জানিয়েছেন ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথ।
এ অঞ্চলে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মাদকবিরোধী তৎপরতার অংশ হিসেবে চালানো সর্বশেষ অভিযান ছিল এটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে হেগসেথ বলেন, সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া অভিযানে প্রথমবারের মতো রাতে হামলা চালানো হলো।
তিনি জানান, জাহাজটি পরিচালনা করছিলেন ‘ট্রেন ডি অ্যারাগুয়া’ গ্যাং সদস্যরা।
রয়টার্স জানায়, জাহাজটিতে কী ছিল, সে বিষয়ে কোনো প্রমাণ হাজির করেননি হেগসেথ।
তিনি ২০ সেকেন্ডের কাছাকাছি দৈর্ঘ্যের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন, যাতে জলপথে দেখা যায় জাহাজটিকে। একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানার পর এতে বিস্ফোরণ হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প জানান, মাদক কারবারে যুক্ত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযানের বিষয়ে কংগ্রেসকে ব্রিফ করার পরিকল্পনা করছে তার প্রশাসন।
তিনি বলেন, তার প্রশাসনের পরবর্তী কর্মকাণ্ড হবে স্থলে থাকা মাদক কারবারে জড়িত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান।
ক্যারিবীয় অঞ্চলে উপস্থিতি বাড়াচ্ছে অ্যামেরিকার সামরিক বাহিনী। এরই মধ্যে এ অঞ্চলে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, পরমাণু সক্ষমতাসম্পন্ন সাবমেরিন ও হাজারো সেনা মোতায়েন করেছে অ্যামেরিকা।
সর্বশেষ আক্রমণসহ ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় মাদক বহনের অভিযোগে ১০টি হামলা চালায় অ্যামেরিকা। এসব হামলায় প্রায় ৪০ জন নিহত হন।
বিভিন্ন সময়ে চালানো হামলার বিষয়ে সামান্য তথ্য দেওয়া পেন্টাগন বলেছে, কিছু হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ভেনেজুয়েলা উপকূলের কাছাকাছি থাকা জাহাজগুলো।
হামলাগুলো যুদ্ধের আইন মেনে করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কিছু আইন বিশেষজ্ঞ ও ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আইনপ্রণেতা।