


প্রকাশিত: জুন ৫ ২০২৬, ১৬:৩৫

সিনেট অধিবেসনের নির্ধারিত স্থান ইউএস ক্যাপিটল ভবন। ছবি: রয়টার্স
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য ৭০ বিলিয়ন ডলারের একটি বিল পাস করেছে সিনেট।
এবিসি নিউজ জানায়, দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা ভোটাভুটির পর শুক্রবার ভোরে বিলটি ৫২-৪৭ ভোটে পাস হয়।
সংবাদমাধ্যমটির খবরে উল্লেখ করা হয়, রিপাবলিকানদের অধিকাংশই বিলটির পক্ষে ভোট দেন। তবে ডেমোক্র্যাটদের সবাই এবং রিপাবলিকান সিনেটর লিসা মুরকোভস্কি এর বিরোধিতা করেন। ভোট শেষে রিপাবলিকান সিনেটররা বিল পাসকে স্বাগত জানিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন।
এখন বিলটি হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে পাঠানো হবে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি আগামী সপ্তাহের আগে সেখানে আলোচনায় আসবে না।
এই অভিবাসন বিলটি মূলত সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভিবাসন আইন প্রয়োগ জোরদার করার কাজে ব্যবহার হবে।
এদিকে বিল পাসের সময় ইউএস জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক তৈরি ১.৮ বিলিয়ন ডলারের একটি ‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন ফান্ড’ নিয়েও তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা দেয়।
সমালোচকদের মতে, এই তহবিলটি কার্যত ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
এই তহবিলটি গঠিত হয় তখন, যখন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আইআরএসের (ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস) বিরুদ্ধে করা ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলা সমঝোতা করের মাধ্যমে প্রত্যাহার করতে সম্মত হন। পরবর্তীতে সমালোচনার মুখে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ জানান, জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট এই তহবিল বাতিলের পরিকল্পনা করছে। তবে ট্রাম্প এখনো এটিকে খুব সুন্দর একটি উদ্যোগ বলে সমর্থন করে আসছেন।
অভিবাসন বিল পাসের আগে ডেমোক্র্যাট ও কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর ১৮ ঘণ্টাব্যাপী ভোট প্রক্রিয়ার সময় অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন তহবিলে একাধিক সংশোধনী প্রস্তাব আনেন, যাতে এই তহবিলকে সীমিত বা বাতিল করা যায়। তবে প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় কোনো সংশোধনীই পাস হয়নি।
যেসব রিপাবলিকান সংশোধনীগুলো সমর্থন করেছিলেন তাদের মধ্যে ছিলেন লিসা মুরকোভস্কি, থম টিলিস, বিল ক্যাসিডি, জন হুস্টেড, ড্যান সুলিভান ও সুসান কলিন্স। তবে শেষ পর্যন্ত টিলিস ও ক্যাসিডি—যারা আগে সংশোধনী ব্যর্থ হলে বিলের বিরোধিতা করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন—তারা চূড়ান্ত ভোটে বিলের পক্ষে অবস্থান নেন।
