Skip to main content

মধ্যবর্তী নির্বাচন ভিন্ন পথে নেবেন ট্রাম্প, মন্তব্য শিফের

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮ ২০২৬, ২২:৫৫

ডেমোক্র্যাটিক নেতা ও সিনেটর অ্যাডাম শিফ( বাঁ থেকে) ও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

ডেমোক্র্যাটিক নেতা ও সিনেটর অ্যাডাম শিফ( বাঁ থেকে) ও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

  • 0

এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এ জ্যেষ্ঠ সদস্য বলেন, ‘ট্রাম্প নির্বাচনকে ভিন্ন পথে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। ‘আর যদি তিনি হেরে যান, তাহলে ফলাফল উল্টে দিতেও তিনি প্রস্তুত এবং আমাদের এ বিষয়ে সন্দেহ করার সুযোগ নেই।‘

চলতি বছর আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি পরাজিত হলে ফলাফল উল্টে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন সিনেটর অ্যাডাম শিফ।

এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এ জ্যেষ্ঠ সদস্য বলেন, ‘ট্রাম্প নির্বাচনকে ভিন্ন পথে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

‘আর যদি তিনি হেরে যান, তাহলে ফলাফল উল্টে দিতেও তিনি প্রস্তুত এবং আমাদের এ বিষয়ে সন্দেহ করার সুযোগ নেই।‘

সম্প্রতি ট্রাম্প পুনরায় ২০২০ সালের নির্বাচনে ভোট চুরির অভিযোগ করার পর এমন মন্তব্য করেন শিফ।

শিফ আরও বলেন, ‘২০২০ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করে যে তিনি ২০২৬ সালের ফলাফল নিয়েও চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।‘

তার ভাষ্য, তারা যা করতে চায় বলে আমাদের জানাচ্ছেন তা আমরা উপেক্ষা করতে পারি না। কারণ তারা চরম ও আইন বহির্ভুত পদক্ষেপ নিতেও বাদ দেন না।’

এমন পরিস্থিতিতে মধ্যবর্তী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার থেকে কে ঠেকাতে পারে জানতে চাইলে শিফ জানান, তিনি কংগ্রেসে থাকা রিপাবলিকান পার্টির সদস্যদের বিশ্বাস করেন না কিন্তু অ্যামেরিকান জনগণকে ভরসা করেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনে আমাদের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা বিপুল সংখ্যক ভোটারদের অংশ নেওয়া, যার ফলে কারো প্রতারণা করার সুযোগ থাকে না।’

সেই সঙ্গে ট্রাম্পের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার কারণ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসনের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়াকে উল্লেখ করেন তিনি।

শিফ মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের দ্রব্যমূল্য সুলভ করতে না পারা, আইস কর্তৃক মৃত্যু এ ধরনের নীতিগুলো প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা কমিয়ে দিয়েছে।

ওই সময় গত সপ্তাহে প্রকাশিত কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটির একটি জরিপের ফলাফল উল্লেখ করেন তিনি।

জরিপটিতে ট্রাম্পকে সমর্থন জানিয়েছেন ৩৭ ভাগ মানুষ। তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন ৫৬ ভাগ মানুষ।