আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহে ডেমোক্র্যাটদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে রিপাবলিকান পার্টি। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনপুষ্ট সুপার পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (সুপার প্যাক) ম্যাগা ইনকরপোরেটেডসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ এ ব্যবধান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি, দলটির সংশ্লিষ্ট কংগ্রেসনাল কমিটি এবং সুপার প্যাকগুলো সম্মিলিতভাবে ২.২ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করেছে। অন্যদিকে, ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটি এবং দলটির সমর্থনপুষ্ট সংশ্লিষ্ট কমিটি ও সংগঠনগুলো সংগ্রহ করেছে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলার।
তবে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ব্যক্তিগত তহবিল সংগ্রহের ক্ষেত্রে রিপাবলিকানদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থীরা। তাঁদের সংগ্রহ করা অর্থের পরিমাণ ২.৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিপরীতে রিপাবলিকান প্রার্থীরা সংগ্রহ করেছেন প্রায় ১.৬ বিলিয়ন ডলার।
প্রার্থীদের নিজস্ব তহবিলের অর্থ নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে তুলনামূলক বেশি কার্যকর। কারণ, প্রার্থীরা বিজ্ঞাপন প্রচারের ক্ষেত্রে কম দামে সময় ও জায়গা কেনার সুযোগ পান। অন্যদিকে, সুপার প্যাকগুলোকে সাধারণত বিজ্ঞাপনের জন্য বেশি মূল্য দিতে হয়।
এদিকে, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে দুই দলের নির্বাচনী ব্যয়ও রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফেডারেল ইলেকশন কমিশনের (এফইসি) তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারে দুই পক্ষের মোট ব্যয় ১১.৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
মিডিয়া পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাড ইমপ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, রিপাবলিকান পার্টি ও তাদের সমর্থনপুষ্ট সংগঠনগুলো বিজ্ঞাপন প্রচারে ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট ও তাদের সমর্থিত সংগঠনগুলোর বিজ্ঞাপন ব্যয় ৫ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি।
নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহে দলীয় সংগঠন ও সুপার প্যাকের অর্থায়ন এবং প্রার্থীদের নিজস্ব তহবিলের মধ্যে এই পার্থক্য এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রাজনৈতিক অর্থায়নের চিত্রকে স্পষ্ট করেছে।
সুত্র : অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।