সিটিজেনশিপ বা গ্রিন কার্ডের জন্য এখনই আবেদন করবেন যে কারণে

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৯ ২০২৫, ১৯:১২

ইউএসসিআইএসের লোগো। ছবি: ইউএসসিআইএস

ইউএসসিআইএসের লোগো। ছবি: ইউএসসিআইএস

  • 0

‘এখন তারা দেখে এই লোক যে ন্যাচারালাইজেশনের জন্য অ্যাপ্লাই করেছেন, ইনি কী স্বভাবসিদ্ধভাবে শুদ্ধির যে ব্যাপারটি আছে, সেভাবে কী গ্রিন কার্ডটি পেয়েছেন নাকি কোনো ফ্রডের মাধ্যমে পেয়েছেন, সেটি তারা আগে ইনভেস্টিগেট করা শুরু করে দেয়। তারা আপনার কমপ্লিট হিস্টোরিটা জানতে চায়।’

নাগরিকত্ব কিংবা স্থায়ী বসবাসের অনুমোদনের নথি গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের মধ্যে অনেকে হয়তো ভবিষ্যতে আবেদন করার কথা ভাবছেন, কিন্তু সেটা না করে তাদের কেন এখনই আবেদন করা প্রয়োজন, তা জানিয়েছেন টিবিএন ভিউজের উপস্থাপক হাবিব রহমান। পরামর্শগুলো তার ভাষায় তুলে ধরা হলো টিবিএনের পাঠকদের জন্য।

আপনারা অনেকেই এই ইমিগ্রেশনের ব্যাপারে ধরে নিচ্ছেন যে, এখন আমি অ্যাপ্লাই করব না। কেন? সিচুয়েশন খুব টাইট।

ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশন খুব টাইট। আই উইল ওয়েট। সো তাদের জন্য আমি বলব, ডৌন্ট ওয়েট ফর নিউ লজ। নতুন ল আসবে, একটু সহজ হবে, এটার জন্য অপেক্ষা করবেন না।

নতুন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে পরিবর্তন আসবে; নতুন রাজনীতিবিদরা আসবেন। ডৌন্ট ওয়েট ফর। আপনার জন্য থিংস ইজিয়ার হবে। ডৌন্ট ওয়েট অ্যারাউন্ড ফর নিউ প্রেসিডেন্ট, নিউ পলিটিশিয়ান্স অ্যান্ড নিউ লজ।

এটা (নাগরিকত্ব কিংবা গ্রিন কার্ড পাওয়া) সহজ হবে না…আমি যতটুক বুঝতে পারছি, এখন এটই টাফারই হতে যাবে; কঠিন থেকে কঠিনতর হতে যাবে আরও আগামী কয়েক বছরে।

…আপনি যদি মনে করে থাকেন যে, আপনি পরে করবেন এবং আপনি এখনও ওয়েট করবেন, আপনাকে কীভাবে এটি হার্ট করবে, কত কঠিন হয়ে দাঁড়াবে, আপনি ইমাজিনও করতে পারবেন না এখন।

সো আপনারা যারা অপেক্ষা করছেন ন্যাচারালাইজেশনের জন্যে বা গ্রিন কার্ডের ফাইলের জন্যে বা অন্য কোনো জন্য, টেক অ্যাকশন নাউ। ডৌন্ট ওয়েট।

আপনারা জানেন যে, অপেক্ষা করার স্ট্রেস খুব কঠিন। রাইট? অ্যাক্টিং ইজ রেসপন্সিবল। সো আপনাকে অ্যাক্ট করতে হবে। আপনি যদি কোয়ালিফাই করে থাকেন ইমিগ্রেশন বেনিফিটের জন্য, আপনি ন্যাচারাল যদি কোয়ালিফাই করে থাকেন, আপনি এটা পেয়ে যাবেন। কেন? সেটিও বলছি।

ইফ ইউ ফাইল, কয়েকটি শর্ত আছে। আপনি যদি ইমিগ্রেশনটি ফাইল করেন এজ লং এজ ইউ কোয়ালিফাই টু মেক শিওর দ্যাট ইউ কোয়ালিফাই। আপনার গুড টার্নি যদি থাকে, ইউ শুড গেট ইউর ইমিগ্রেশন বেনিফিট। এই ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। ইউ ডেফিনেটলি গেট পিস অফ মাইন্ড।

এই ব্যাপারে আমি বলব, ডৌন্ট গ্যাম্বল উইথ ফিউচার। আপনের এখন যেটাই আছে, যদি আপনি কোয়ালিফাই করেন, অ্যাক্ট নাউ…কেন বলছি? আমরা দেখছি আমি বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলেছি।

সিটিজেনশিপ বা গ্রিন কার্ড। সিটিজেনশিপের কথা, স্পেশালি সিটিজেনশিপ, আগে ছয় থেকে ৯ মাস লাগত বিভিন্ন কারণে। বেশিও লাগত, কিন্তু এখন সেটি হচ্ছে তিন থেকে পাঁচ মাস।

সো স্পিডটি বেড়েছে। পরিবর্তনটা কোথায় হয়েছে? পরিবর্তনটা হচ্ছে সেই এই জায়গায়, যেখানে আগে যখন অ্যাপ্লাই করতেন আপনি, তারা দেখত যে এটিকে অ্যাপ্রুভ করা যায় কীভাবে।

এখন তারা দেখে এই লোক যে ন্যাচারালাইজেশনের জন্য অ্যাপ্লাই করেছেন, ইনি কী স্বভাবসিদ্ধভাবে শুদ্ধির যে ব্যাপারটি আছে, সেভাবে কী গ্রিন কার্ডটি পেয়েছেন নাকি কোনো ফ্রডের মাধ্যমে পেয়েছেন, সেটি তারা আগে ইনভেস্টিগেট করা শুরু করে দেয়। তারা আপনার কমপ্লিট হিস্টোরিটা জানতে চায়।

আপনি কবে দেশে এসেছেন, কীভাবে পেলেন, কাগজটি কোন প্রসেসের মধ্যে পেলেন, সেটি আগে তারা যাচাই করে। সো ইফ ইউ হ্যাভ দ্যাট প্রবলেম, উই হ্যাভ অ্যা বিগার প্রবলেম।