একইসঙ্গে কংগ্রেসে ফিটজপ্যাট্রিক ও সুওজি যৌথভাবে এমন একটি বিল উত্থাপন করেছেন, যা তহবিলটির অর্থ ব্যবহারে বাধা দেয়।
এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিটজপ্যাট্রিক জানান, ট্রাম্পের গঠিত এ তহবিল আইন বিরোধী। তহবিলের অর্থ বরাদ্দ করে কংগ্রেস। বিচার বিভাগ বা নির্বাহী বিভাগের কোনো নিজস্ব অর্থ নেই। কংগ্রেসে অনুমোদনের পর নির্বাহী বিভাগ ডলার পায়।
সুওজ রোববার এক বক্তব্যে বলেন, রিপাবলিকানদের উচিত ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দেওয়া এবং কংগ্রেসের ক্ষমতা ব্যবহার করে এ তহবিল বন্ধ করা।
এর আগে গত সোমবার ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস-আইআরএসের বিরুদ্ধে করা একটি মামলা বড় অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রত্যাহার করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
বাইডেন প্রশাসন আমলে প্রেসিডেন্ট ও তার পরিবারের কর সংক্রান্ত তথ্য অন্যায়ভাবে প্রকাশের অভিযোগে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে মামলাটি করেছিলেন ট্রাম্প নিজেই।
গত সপ্তাহে মামলায় সমঝোতার মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগ থেকে বিলিয়ন ডলার অর্থ লাভের পর ট্রাম্প জানান, বাইডেন আমলে তার মতো অনেকে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ওই সময় তিনি আরও জানান, প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তহবিল গঠন করা হবে, যেখান থেকে ক্ষতিপূরণ পাবে ওই ভুক্তভোগীরা।
তবে তহবিলটি গঠনের আগে থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন ডেমোক্রেটসহ ট্রাম্পের নিজ দল তথা রিপাবলিকানের অনেক সদস্য।
ডেমোক্র্যাটদের ভাষ্য, অ্যামেরিকান করদাতাদের অর্থ থেকে নেওয়া এ তহবিল পাবেন মূলত ট্রাম্পের মিত্ররা।
সেইসঙ্গে দুই দলই মনে করছে, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ওয়াশিংটন ডি.সি-তে ক্যাপিটল হিলে তৎকালীন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের স্বীকৃতির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া চলাকালে পুলিশের ওপর দাঙ্গা ও হামলাকারীদের তহবিল থেকে অর্থ দিবেন ট্রাম্প।
এদিকে বুধবার ক্যাপিটলে দাঙ্গাবাজরা তহবিলের অর্থ পাবেন কি না- ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চকে প্রশ্ন করেছিল সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
ব্লাঞ্চ তখন জবাব দেন, ‘যারা পুলিশকে আঘাত করে, তারাও অনেক সময় অর্থ পায়।’