ট্রাম্পের উপস্থিতিতে শান্তি চুক্তি আজারবাইজান-আর্মেনিয়ার

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৮ ২০২৫, ২২:৩৫ হালনাগাদ: অক্টোবর ১৭ ২০২৫, ১৪:৫৯

হোয়াইট হাউসে শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে শান্তি চুক্তিতে সই করেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ও আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান। ছবি: হোয়াইট হাউস

হোয়াইট হাউসে শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে শান্তি চুক্তিতে সই করেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ও আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান। ছবি: হোয়াইট হাউস

  • 0

ট্রাম্পের আশা, এ চুক্তি শান্তি নিয়ে আসার পাশাপাশি প্রতিবেশী দুই দেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

দীর্ঘ বৈরিতার অবসানে হোয়াইট হাউসে শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে শান্তি চুক্তিতে সই করেছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ও আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।

আল জাজিরা জানায়, হোয়াইট হাউসে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলিয়েভ ও পাশিনিয়ানের মধ্যে ‘গভীর সম্পর্ক’ গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ট্রাম্প।

তার আশা, এ চুক্তি শান্তি নিয়ে আসার পাশাপাশি প্রতিবেশী দুই দেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

‘গুরুত্বপূর্ণ এ যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করতে ওয়াশিংটনে আসায় আমি মহান দুই ব্যক্তি, প্রধানমন্ত্রী পাশিনিয়ান ও প্রেসিডেন্ট আলিয়েভকে ধন্যবাদ জানাতে চাই’,বলেন ট্রাম্প।

‘দুই দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সব ধরনের যুদ্ধ চিরতরে বন্ধের পাশাপাশি বাণিজ্য, পর্যটন ও কূটনৈতিক সম্পর্কের দ্বার উন্মোচন এবং পরস্পরের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখানোর অঙ্গীকার করছে’, যোগ করেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্পের এ বক্তব্যের প্রতিফলন ছিল আলিয়েভের মন্তব্যে। তিনি বলেন, এ চুক্তির মধ্য দিয়ে ককেশাস অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ও চিরন্তন শান্তির সূচনা হলো।

আলিয়েভের ভাষ্য, শান্তি চুক্তি থেকে কোনো পক্ষের পিছু হটা নিয়ে সংশয় নেই। তিনি কিংবা আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পিছু হটার কোনো চিন্তা থাকলে তারা অ্যামেরিকায় আসতেন না।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে পরিবহন করিডোর তৈরি করবে দুই দেশ। তিন দশকের বেশি সময় আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার পর দুই দেশ ভূখণ্ডগত বিরোধে জড়িয়ে পড়ে।

বিতর্কিত অঞ্চল নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে বিভিন্ন সময় যুদ্ধে জড়ায়। অঞ্চলটি আজারবাইজানের সীমান্তের মধ্যে পড়লেও ইতোপূর্বে জাতিগতভাবে আর্মেনীয়রা সেখানে বসবাস করতেন।

চুক্তির ফলে পরিবহন করিডোরে উন্নয়নমূলক কাজের বিশেষ সুযোগ পাবে অ্যামেরিকা। এ করিডোর পরিচিতি পাবে ‘ট্রাম্প রুট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি’ হিসেবে।