মধ্যপ্রাচ্যে অ্যামেরিকার বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরান শিগগিরই হামলা চালাতে পারে জানিয়ে অ্যামেরিকার দুই কর্মকর্তা বলেছেন, সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে এখনও কূটনৈতিক সমাধান চাইছে ওয়াশিংটন।
ইরানের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে অ্যামেরিকার ধারণার কথা সোমবার জানান এ দুই কর্মকর্তা।
দুই কর্মকর্তার একজন, যিনি নাম প্রকাশ করতে চাননি, রয়টার্সকে জানান, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা আগামীকাল মঙ্গলবার বা দুই দিনের মধ্যে হতে পারে।
ইরানে তিন পারমাণবিক স্থাপনায় রবিবার শুরুর সময়ে অ্যামেরিকা বোমা হামলা চালায়, যার বদলা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান।
অ্যামেরিকার ওপর হামলা না করতে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানে হামলার পর অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান কোনো ধরনের বদলা নিতে চাইলে রবিবারের হামলার চেয়ে আরও বড় পরিসরে ইরানের ওপর হামলা করবে ওয়াশিংটন।
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন রবিবার জানান, ইরাক ও সিরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সেনাদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে অ্যামেরিকার সামরিক বাহিনী।
মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৪০ হাজার সেনা রয়েছে অ্যামেরিকার। বাহিনীর সদস্যদের কেউ কেউ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান ও রণতরি পরিচালনা করে, যেগুলো শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও ভূপাতিত করতে পারে, তবে হামলা বিবেচনায় তাদের অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ।
রয়টার্স গত সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলো থেকে কিছু বিমান ও জাহাজ সরিয়ে নিয়েছে পেন্টাগন। ইরানের যেকোনো হামলার ক্ষেত্রে এগুলো সম্ভবত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে ছিল।
সরিয়ে নেওয়া সরঞ্জামগুলোর মধ্যে ছিল কাতারের রাজধানী দোহার বাইরে মরুভূমিতে স্থাপিত আল উদেইদ ঘাঁটির বিমান।
আল উদেইদ মধ্যপ্রাচ্যে অ্যামেরিকার সবচেয়ে বড় ঘাঁটি, যেখানে প্রায় ১০ হাজার অ্যামেরিকান সেনা রয়েছে।