আরব সাগরে বন্দর নির্মাণে অ্যামেরিকার দুয়ারে পাকিস্তান: প্রতিবেদন

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৪ ২০২৫, ১৯:২৭

হোয়াইট হাউসে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনির। ছবি: হোয়াইট হাউস

হোয়াইট হাউসে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনির। ছবি: হোয়াইট হাউস

  • 0

এফটি জানায়, বন্দর নির্মাণের প্রস্তাবটি অ্যামেরিকার কিছু কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়। গত মাসের শেষের দিকে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে আসিম মুনিরকে বিষয়টি জানানো হয়।

আরব সাগরে বন্দর নির্মাণ ও পরিচালনার প্রস্তাব নিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের উপদেষ্টারা অ্যামেরিকার কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে শুক্রবার জানিয়েছে দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এফটি।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে একই দিনে রয়টার্স জানায়, এফটি বন্দর নির্মাণ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা দেখার কথা জানিয়েছে।

এফটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের পাসনি শহরের গুরুত্বপূর্ণ খনিজে প্রবেশাধিকার পেতে অ্যামেরিকার বিনিয়োগকারীদের বন্দরের একটি টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার কথা রয়েছে পরিকল্পনায়। আফগানিস্তান ও ইরান সীমান্তবর্তী বেলুচিস্তান প্রদেশের গোয়াদর জেলার একটি বন্দর নগর পাসনি।

হোয়াইট হাউসে সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বৈঠকের পর বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনার খবর সামনে আসে।

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানের কৃষি, প্রযুক্তি, খনিজ ও জ্বালানি খাতে অ্যামেরিকার কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান শাহবাজ শরিফ।

এফটি জানায়, বন্দর নির্মাণের প্রস্তাবটি অ্যামেরিকার কিছু কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়। গত মাসের শেষের দিকে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে আসিম মুনিরকে বিষয়টি জানানো হয়।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, পরিকল্পনায় বন্দরকে অ্যামেরিকার সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি নেই। এর পরিবর্তে বন্দরের সঙ্গে খনিজসমৃদ্ধ পশ্চিমা প্রদেশগুলোর যোগাযোগের জন্য রেলপথ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের বিষয়টি রয়েছে এতে।

এফটির প্রতিবেদনের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।

অ্যামেরিকার স্টেইট ডিপার্টমেন্ট, হোয়াইট হাউস, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে করা প্রশ্নের তাৎক্ষণিক উত্তর দেয়নি বার্তা সংস্থাটিকে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেনি রয়টার্স।