বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম। শুক্রবার ইস্তানবুলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা— আই.ই.এ’র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল জানান, সমন্বিত এই পদক্ষেপে এরইমধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে বাজার।
ইরানের সাথে সংঘাতের জেরে কৌশলগত হরমুয প্রণালী দিয়ে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় হু হু করে বাড়ছিল জ্বালানির দাম। সংকট সামাল দিতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পসহ জি-সেভেন নেতাদের জরুরি বৈঠকের পর, ডিজেলসহ বিশ্ববাজারে ১০০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় সি-সেভেনভুক্ত দেশগুলো।
এটি আইইএ-র ইতিহাসে এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ তেল রিযার্ভ বাজারে ছাড়ার সমন্বিত সিদ্ধান্তটি কার্যকর করা হয়। আই.ই.এ প্রধান জানান, বিশ্ব জ্বালানির নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে তারা এই বিষয়টি সমন্বয় করবেন। ফাহি বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি হিসেবে আমাদের সমন্বয়ে আমরা আবারো বাজারে ১০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়া শুরু করব। ইতোমধ্যে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব বাজারে পড়তে শুরু করেছে, অর্থাৎ তেলের দাম কমতে শুরু করেছে।
ইরানে ইউএস-ইযরায়েলি সামরিক অভিযানের পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। সম্প্রতি ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের বাব এল মান্দেব প্রণালীতে অভিযান শুরু করলে জ্বালানি বাজারে আরো শঙ্কা তৈরি হয়। সব শেষ সৌদি আরবের ইস্টওয়েস্ট পাইপলাইনে ইরান ইরাকি মিলিশিয়ারা হামলা করলে গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি নেটওয়ার্ক বেশ কিছু দিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এতে জ্বালানির দাম লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশের বাজারে।