Skip to main content

ম্যানহাটনে পানিবাহিত রোগ লিজিওনেয়ার্সে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৪ জন

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৬ ২০২৬, ১৩:৫১ হালনাগাদ: জুলাই ৬ ২০২৬, ১৪:৩৫

মাইক্রোস্কোপের নিচে  লিজিওনেয়ার্স রোগ সৃষ্টিকারী লিজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া। ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স

মাইক্রোস্কোপের নিচে লিজিওনেয়ার্স রোগ সৃষ্টিকারী লিজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া। ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স

  • 0

লিজিওনেয়ার্স রোগ মূলত লিজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া থেকে সংক্রমণ ঘটায়। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত উষ্ণ পানিতে বৃদ্ধি পায় এবং দূষিত পানির সূক্ষ্ম কণা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে সংক্রমণ ঘটতে পারে।

নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনের আপার ইস্ট সাইড এলাকায় ব্যাকটেরিয়া থেকে সৃষ্ট গুরুতর নিউমোনিয়া রোগ লিজিওনেয়ার্সে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে পৌঁছেছে।

নিউ ইয়র্ক সিটি হেলথ ডিপার্টমেন্ট এক বার্তায় নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।

নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র যোরান মামদানি জানিয়েছেন, রোগের সংক্রমণের সঙ্গে কোনো ভবনের প্লাম্বিং বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সরাসরি সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। তিনি আরও জানান, এলাকাটিতে কলের পানিও পান করা, গোসল করা এবং রান্নার কাজে ব্যবহার করা নিরাপদ।

রোগটি সংক্রমণের কারণ জানতে এখন আক্রান্ত এলাকার বিভিন্ন ভবনের কুলিং টাওয়ার থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, অতীতের বেশ কয়েকটি প্রাদুর্ভাবে দূষিত কুলিং টাওয়ার থেকে নির্গত পানির ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে লিজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ার প্রমাণ মিলেছে।

যেসব ভবনের কুলিং সিস্টেমে এই ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত হবে, সেগুলোর মালিকদের দ্রুত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হবে।

নিউ ইয়র্ক সিটির হেলথ কমিশনার ড. অ্যালিস্টার মার্টিন বলেছেন, জুন মাসের শেষ দিক থেকে যারা ওই এলাকায় বসবাস করেছেন, কাজ করেছেন বা সেখানে গিয়েছেন, তাদের কারও জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট বা ফ্লু-সদৃশ উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

এদিকে চিকিৎসকদের কাছেও একটি স্বাস্থ্য সতর্কতা পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করতে সপ্তাহান্তে প্রচার কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে হেলথ ডিপার্টমেন্ট।

লিজিওনেয়ার্স রোগ মূলত লিজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া থেকে সংক্রমণ ঘটায়। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত উষ্ণ পানিতে বৃদ্ধি পায় এবং দূষিত পানির সূক্ষ্ম কণা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে সংক্রমণ ঘটতে পারে। তবে এটি একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে সরাসরি ছড়ায় না।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, রোগটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে কার্যকরভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব।

একই সঙ্গে তারা জানিয়েছেন, আক্রান্ত এলাকায় এয়ার কন্ডিশনার, কুলিং সেন্টার, সিটির বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা এবং কলের পানি ব্যবহার করা নিরাপদ।