মামদানির জয়ের পরদিনই পদত্যাগ নিউ ইয়র্ক ফায়ার ডিপার্টমেন্ট কমিশনারের

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৬ ২০২৫, ২০:৫৯

নিউ ইয়র্ক সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী জোরান মামদানি। ছবি: রয়টার্স

নিউ ইয়র্ক সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী জোরান মামদানি। ছবি: রয়টার্স

  • 0

নির্বাচনি প্রচারের সময় গাজায় গণহত্যার বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেন জোরান মামদানি, যাকে কেউ কেউ ইহুদিবিদ্বেষী আখ্যা দেন। যদিও মামদানি বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

নগরের মেয়র পদে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জোরান মামদানির জয়ের পরের দিন বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন নিউ ইয়র্ক সিটি ফায়ার ডিপার্টমেন্ট-এফডিএনওয়াই কমিশনার রবার্ট টাকার।

ডেপুটি মেয়র ফর পাবলিক সেফটি ক্যাজ ডট্রিও একই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে জানতে পেরেছে ডেইলি নিউজ।

নিউ ইয়র্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়াকে হারিয়ে মামদানির জয়ের ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে মেয়র এরিক অ্যাডামসের কাছে ইমেইলে পদত্যাগপত্র পাঠান টাকার। এতে তিনি লিখেন, এফডিএনওয়াইয়ে তার সর্বশেষ কর্মদিবস হবে ১৯ ডিসেম্বর।

টাকারের পাঠানো চিঠির একটি কপি পেয়েছে ডেইলি নিউজ। এর একটি অংশে লেখা, পদত্যাগের আগে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফায়ার ডিপার্টমেন্টের নেতৃত্ব দিয়ে যাবেন টাকার, যিনি নিয়মতান্ত্রিক হস্তান্তর নিশ্চিত করবেন।

এফডিএনওয়াইয়ের একটি সূত্র জানায়, গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী মামদানি ও তার টিমের সদস্যদের সঙ্গে মসৃণভাবে কাজ করতে পারবেন না বলে মনে হয়েছে টাকারের।

নির্বাচনি প্রচারের সময় গাজায় গণহত্যার বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেন জোরান মামদানি, যাকে কেউ কেউ ইহুদিবিদ্বেষী আখ্যা দেন। যদিও মামদানি বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এরিক অ্যাডামসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা ডেইলি নিউজকে জানান, মেয়রের ঘনিষ্ঠ নির্দিষ্ট রাজনৈতিক চিন্তাধারার আরও কয়েকজন শীর্ষ সহকারী আসন্ন দিনগুলোতে পদত্যাগ করতে পারেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ডট্রিও।

একটি সূত্র জানায়, মেয়র অ্যাডামসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে মামদানি প্রশাসনে হয়তো জায়গা হবে না ডট্রির, যে কারণে তিনি পদত্যাগের পথে এগোচ্ছেন।

নিউ ইয়র্ক সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মঙ্গলবার ঐতিহাসিক জয় পান ৩৪ বছর বয়সী জোরান মামদানি। তার এ জয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো মুসলিম মেয়র পাচ্ছে নিউ ইয়র্ক।

সিটির ১০০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে নবীনতম মেয়র হিসেবে অভিষেক হচ্ছে এ ডেমোক্র্যাটের।