
কেরানীগঞ্জে ভারতীয় শিক্ষার্থীর রহস্যময় মৃত্যু

টিবিএন ডেস্ক
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮ ২০২৫, ৭:৩৬

নিদা খান এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। প্রতীকী ছবি
- 0
নিদা খান ভারতের রাজস্থানের নাগরিক। তিনি এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন।
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে আদ-দ্বীন মোমেন মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেল থেকে নিদা খান নামে ভারতীয় এক মেডিক্যাল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ শনিবার দিবাগত মধ্য রাতে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য রোববার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
ওই শিক্ষার্থী ভারতীয় নাগরিক ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের এজিএম সিদ্দিকুর রহমান। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ১৯ বছর বয়সী নিদা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
সিদ্দিকুর রহমান জানান, নিদা খান ভারতের রাজস্থানের নাগরিক। তিনি এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তার বাবার নাম আ. আজিজ খান।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা এলাকায় আদ-দ্বীন মোমেন মেডিক্যাল কলেজের ক্যাম্পাস অবস্থিত। সেখানেই ফরেন হোস্টেলে থাকতেন নিদা খান। তার রুমমেটরাও ভারতীয় নাগরিক।
শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রুমমেটদের সঙ্গে স্বাভাবিক আলোচনা করেন তিনি। এরপর রুমে চলে যান। রাত ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত তার পাশের রুমের শিক্ষার্থীরা তাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পাননি।
পরে রাত ২টার দিকে হোস্টেল সুপারসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে তার রুমের দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে দেখেন, ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন তিনি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছরোয়ার হোসেন জানান, মধ্যরাতে খবর পেয়ে কলেজটির ফরেন হোস্টেল থেকে ফ্যানে গলায় ফাঁস লাগানো ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
এসআই ছরোয়ার আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শনিবার অনুষ্ঠিত একটি পরীক্ষায় নিদা খান নকল করার অভিযোগে বহিষ্কার হন। এটি নিয়ে সারাদিন হতাশায় ছিলেন। যার কারণে তিনি রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অন্য কোনো ঘটনা বা কারণ আছে কি না তা বিস্তারিত তদন্তের পরেই বেরিয়ে আসবে।