কঠিন সময়ের মুখে পড়তে পারে নিউ ইয়র্ক, এমনটাই মনে করছেন এস্টেট বিলিয়নেয়ার ব্যারি স্টার্নলিচ। শুধু তাই নয়, নিজের টিম নিয়ে শহর ছাড়ার কথাও ভাবছেন স্টারউড ক্যাপিটাল গ্রুপের এই সিইও।
শহরে বাড়ি ও অফিসের উন্নয়ন এবং পরিচালনার খরচ অত্যধিক বেড়েছে দাবি করে এজন্য নিউ ইয়র্কের ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে দোষারোপ করেছেন এই বিলিয়নেয়ার।
তিনি সর্তক করে বলেন, ডেমোক্র্যাট সোশ্যালিস্ট মামদানির আমলে এ অবস্থা আরও খারাপ হবে।
জয়ের পর, মামদানি তার প্রচারণার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য অবিলম্বে কাজ শুরু করার অঙ্গীকার করেছেন। তার প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে স্থিতিশীল অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে ভাড়া স্থগিত করা, বিনামূল্যে বাস পরিষেবা প্রদান করা, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য একটি সর্বজনীন, বিনামূল্যে শিশু যত্ন কর্মসূচি তৈরি করা এবং প্রতিটি বরোতে একটি করে মোট পাঁচটি শহরের মালিকানাধীন গ্রোসারি স্টোর খোলা।
সিএনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টার্নলিচ্ট বলেন, ‘নিউ ইয়র্কের প্রতিটি প্রকল্প ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি হলে ইউনিয়ন করতে হবে, এবং এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
স্টার্নলিচ্টের কোম্পানি স্টারউড ক্যাপিটাল গ্রুপের নিউ ইয়র্কে বাণিজ্যিক এবং আবাসিক উভয় ধরণের হোল্ডিং এবং যৌথ উদ্যোগ রয়েছে।
মামদানির আবাসন নীতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে স্টার্নলিচ বলেন, ‘বামপন্থিরা বলেন যে, ভাড়াটেদের অর্থ দিতে হবে না। যদি তারা ভাড়া না দেয় তাহলে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া যায় না। আর যদি তার প্রতিবেশী জানতে পারে যে তার আরেক প্রতিবেশী ভাড়া দিচ্ছে না কিন্তু তাদের দিতে হচ্ছে তখন তারাও ভাড়া দিতে চাইবে না। এভাবে আপনি মূলত নিউ ইয়র্ক শহরকে মুম্বাইতে পরিণত করতে চলেছেন।’
স্টার্নলিচ আরও আশঙ্কা করছেন যে, মামদানির আমলে নিউ ইয়র্কে জননিরাপত্তার অবনতি হতে পারে।
তিনি মামদানিকে উল্লেখ করে বলেছেন, তিনি পুলিশকে অর্থায়ন বন্ধ করে দিলে অথবা তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মর্যাদা না দিলে শহরটি সত্যিই কঠিন সময়ের মুখোমুখি দাঁড়াবে।
তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে তার কোম্পানি ইতোমধ্যেই মিডটাউন ম্যানহাটনে তার অফিস ছেড়ে দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।