হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে খুবই ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র পদে জয়ী জোরান মামদানি।
নিউ ইয়র্ক সিটি নির্বাচনজুড়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেওয়া দুই মেরুর রাজনীতিক শুক্রবার প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হন।
বৈঠক শেষে এ বিষয়ে ট্রাম্প রিপোর্টারদের বলেন, ‘খুবই শক্তিশালী ও খুবই নিরাপদ নিউ ইয়র্কের জন্য প্রত্যেকের স্বপ্ন বাস্তব করতে আমরা তাকে (মামদানি) সাহায্য করতে চাচ্ছি।’
অন্যদিকে মামদানি সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে দাবি করেন, তাদের মধ্যকার বৈঠক ‘খুবই ফলপ্রসূ’ হয়েছে।
রয়টার্স জানায়, বৈঠকের পর সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটের সঙ্গে কিছু বিষয়ে ঐকমত্যের কথা জানান রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।
‘তার (মামদানি) কিছু ধারণা আমার পোষণ করা ধারণার মতোই’, সাংবাদিকদের বলেন ট্রাম্প।
বার্তা সংস্থাটি এ দুই রাজনীতিকের সাদৃশ্যপূর্ণ কিছু প্রতিশ্রুতির একটি তালিকা দিয়েছে।
মামদানির প্রতিশ্রুতি
১. স্থিতিশীল ভাড়ার অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে ভাড়া বৃদ্ধি না করা।
২. বিনা মূল্যে সার্বজনীন শিশু পরিচর্যা।
৩. সাশ্রয়ী আবাসনের জন্য হাজারো বাড়ি নির্মাণ।
৪. নিউ ইয়র্ক সিটির প্রতিটি বরোতে পাইকারি দামে জিনিসপত্র বিক্রি করতে নগর মালিকানাধীন একটি মুদি দোকান চালু।
৫. বিনা ভাড়ায় বাস ভ্রমণ।
ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি
ট্রাম্প ২০২৪ সালে কিছু প্রতিশ্রুতি দেন, যা নিচে তুলে ধরা হলো।
১. বকশিসের ওপর কর প্রত্যাহার।
২. অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধিতে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা।
৩. ফেডারেল জমির একাংশকে আবাসনের জন্য উন্মুক্ত করা।
৪. প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের চাকরিগুলোকে অ্যামেরিকায় ফিরিয়ে আনা।
আলোচিত এ বৈঠকের আগের দিন বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মামদানি জানান, বড় ধরনের পার্থক্য থাকা সত্ত্বে ট্রাম্পের সঙ্গে সাধারণ কিছু বিন্দুতে মিলিত হওয়ার আশা করছেন তিনি।
মামদানির ভাষ্য, তার টিম হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এ জন্য যে, নিউ ইয়র্ক সিটিকে সাশ্রয়ী রাখা নিয়ে কাজ করা যে কারও সঙ্গে তিনি কাজ করবেন।
মেয়র পদে জয়ী ডেমোক্র্যাট আরও বলেন, নিউ ইয়র্কবাসীকে সুবিধা দেয়, এমন যেকোনো এজেন্ডা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করতে চান তিনি।