স্টারবাকসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে মামদানি ও স্যান্ডার্স

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২ ২০২৫, ১৩:৩০ হালনাগাদ: জানুয়ারি ৯ ২০২৬, ৭:৪০

কফি চেইন স্টারবাকসের লোগোর দুই পাশে জোরান মামদানি ও বার্নি স্যান্ডার্স। ছবি: রয়টার্স

কফি চেইন স্টারবাকসের লোগোর দুই পাশে জোরান মামদানি ও বার্নি স্যান্ডার্স। ছবি: রয়টার্স

  • 0

আইউইটনেস নিউজ জানায়, সোমবার ব্রুকলিনের পার্ক স্লোপে স্টারবাকস কর্মীদের সঙ্গে ধর্মঘটে যোগ দেন মামদানি। তার সঙ্গে ছিলেন গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।

বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ও অ্যামেরিকার বৃহত্তম চেইন কফি শপ চেইন স্টারবাকস।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা গত ১৩ নভেম্বর থেকে বেতন বৃদ্ধি, স্থিতিশীল কর্মঘণ্টাসহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া জানিয়ে আসছেন কর্তৃপক্ষের কাছে।

শুরু থেকেই এটি ‘ন্যায্য দাবি’ উল্লেখ করে কর্মীদের পাশে ছিলেন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র পদে নির্বাচিত জোরান মামদানি। এবার তাকে দেখা গেল সরাসরি কর্মীদের ধর্মঘটে অংশ নিতে।

আইউইটনেস নিউজ জানায়, সোমবার ব্রুকলিনের পার্ক স্লোপে স্টারবাকস কর্মীদের সঙ্গে ধর্মঘটে যোগ দেন মামদানি। তার সঙ্গে ছিলেন আরেক গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী ও বর্ষীয়ান সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।

উপস্থিত জনতার উদ্দেশে মামদানি বলেন, এগুলো কোনো বাড়তি দাবিদাওয়া নয়। এগুলো ন্যায্য দাবির অংশ। কর্মীরা স্রেফ তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু চাইছেন।’

ধর্মঘটে অংশ নেওয়া ৮৪ বছর বয়সী সেন্ডার্স বলেন, ‘আমাদের এমন একটি অর্থনৈতিক কাঠামো চাই যেটি সবার জন্য কার্যকর হবে।'

এর আগে গত মাসে কফি চেইনটির কর্মীদের সমর্থন জানিয়ে স্টারবাকস বয়কটের আহ্বান জানান মামদানি।

ঘণ্টায় বেতন ১৮ ডলার, অস্থিতিশীল কর্মঘণ্টা ও শ্রমিক সংগঠন ভাঙতে চাওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বর মাসে আন্দোলনে মাঠে নামেন কর্মীরা।

বিক্ষোভের অংশ হিসেবে কর্মবিরতি ঘোষণা করেন অ্যামেরিকার বিভিন্ন স্থানে চালু থাকা স্টারবাকস স্টোরের কর্মীরা, যার ফলে ইতোমধ্যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে জানিয়েছে স্টারবাকস কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি আন্দোলনকারী কর্মীদের ক্ষতিপূরণ ও স্থিতিশীল কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে কর্তৃপক্ষ।