নিউ ইয়র্ক সিটিসহ অভিবাসীবান্ধব শহরে তহবিল বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪ ২০২৬, ১২:০৪

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি

  • 0

ট্রাম্প বলেন, ‘পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে অভিবাসীবান্ধব শহর ও স্টেইটগুলোতে আর কোনো তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হবে না। কারণ, এসব জায়গায় অ্যামেরিকান নাগরিকদের অর্থে অপরাধীদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়।'

নিউ ইয়র্ক সিটিসহ অভিবাসীবান্ধব শহর ও স্টেইটগুলোতে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ফেডারেল তহবিল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

আইউইটনেস নিউজ জানায়, মঙ্গলবার ডেট্রয়েট ইকোনমিক ক্লাবে এক বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা জানান তিনি।

ট্রাম্প বলেন, ‘পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে অভিবাসীবান্ধব শহর ও স্টেইটগুলোতে আর কোনো তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হবে না। কারণ, এসব জায়গায় অ্যামেরিকান নাগরিকদের অর্থে অপরাধীদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

যা অপরাধ, প্রতারণাসহ যাবতীয় সমস্যা বিস্তারের সুযোগ করে দেয়। অভিবাসীবান্ধব শহরকে সমর্থন জানায় এমন কাউকে আমরা আর তহবিল বরাদ্দ দিচ্ছি না।’

ট্রাম্পের এ বক্তব্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোরান মামদানি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে মামদানি বলেন, ‘আমাদের আইন ও মূল্যবোধ দরকষাকষির বিষয় নয়।

আমরা যেকোনো অবস্থায় নিউ ইয়র্কারদের রক্ষা করে যাব, এমনকি তহবিল বন্ধের হুমকি আসলেও।’

পরে মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে মামদানি আরও জানান, তহবিল বন্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি সরাসরি ট্রাম্পকে বিরোধিতা জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে অভিবাসীবান্ধব শহর হিসেবে তার ও নিউ ইয়র্কারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন, কিন্তু প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো উত্তর পাননি।

নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুলের এক মুখপাত্র জানান, ভয়ংকর অপরাধীদের দমাতে নিউ ইয়র্ক ফেডারেল সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে, কিন্তু কঠোর পরিশ্রমে দিন যাপন করা অভিবাসী পরিবারের ওপর আগ্রাসী আক্রমণ সমর্থন করবে না।

এরপরও নিউ ইয়র্কারদের প্রাপ্য তহবিল বন্ধ করলে ট্রাম্প প্রশাসনকে আদালতের মুখোমুখি হতে হবে।

নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলস, সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া এমন বিভিন্ন শহর ও স্টেইট মিলিয়ে দেশজুড়ে প্রায় ১০০টি এলাকা অভিবাসীবান্ধব এলাকা হিসেবে পরিচিত।

এ শহর ও স্টেইটগুলোর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব বিষয়ে ফেডারেল কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে না।

বিশেষ করে ইউএস ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইসের কঠোর অভিবাসী দমন কর্মকাণ্ডে বিরোধিতা জানায় অভিবাসী বান্ধব শহরগুলো।

ট্রাম্পের দাবি, এর ফলে অভিবাসী অপরাধী দমন ও অ্যামেরিকার নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে আছে।