ওয়াশিংটন পোস্টের খবর
অভিবাসী আটক কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা দ্বিগুণ করতে চাইছে আইস

টিবিএন ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ১৬ ২০২৫, ১৯:৫৭

এল পাসোর ফোর্ট ব্লিসে গত ৮ আগস্টের ছবিতে আইসের নির্মাণাধীন আটক কেন্দ্র। ছবি: রয়টার্স
- 0
এ সংক্রান্ত পরিকল্পনার একটি রোডম্যাপ হাতে পেয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় অভিবাসী আটক ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয় অ্যামেরিকা। এসব আটক কেন্দ্রে বন্দি ধারণক্ষমতা রাখা হয় ৫০ হাজার।
এ পরিকল্পনার পরপরই আটক কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা দ্বিগুণ করে এক লাখের বেশি করার লক্ষ্য নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এ সংক্রান্ত পরিকল্পনার একটি রোডম্যাপ হাতে পেয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।
রোডম্যাপ অনুযায়ী, এ বছর অভিবাসন কর্তৃপক্ষ তার লক্ষ্য পূরণে ১২৫টি আটক কেন্দ্র চালু বা সম্প্রসারণ করতে চায়।
ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইসের অভ্যন্তরীণ নথি অনুযায়ী, আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে এক লাখ সাত হাজারের বেশি মানুষকে আটক রাখার সক্ষমতা অর্জন করবে সংস্থাটি।
ট্রাম্পের অভিবাসী বিতাড়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে আইসের গোলমেলে চেষ্টার বিরুদ্ধে এরই মধ্যে মামলা হয়েছে। আটকের পর অভিবাসীদের রাখতে সংস্থাটি সামরিক ঘাঁটি, পুরাতন কারাগারগুলোকে নতুন করে ব্যবহারের পাশাপাশি বেসরকারি কারাগারের ঠিকাদার, স্থানীয় শেরিফ ও রিপাবলিকান গভর্নরদের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়েছে।
আটক কেন্দ্র নিয়ে রোডম্যাপটি সর্বশেষ আপডেট করা হয় ৩০ জুলাই। এতে দেখা যায়, অভিবাসী আটককে দেশের অন্য প্রান্তে সম্প্রসারণ করতে চায় আইস।
সংস্থাটি তাদের বড় পরিসরের আটক কেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করতে চাইছে। এ ছাড়া অস্থায়ী স্থাপনার ওপর নির্ভর করতে চাইছে সংস্থাটি, যেগুলো কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নির্মাণ করা যায় এবং সহজে গুটিয়ে আনা যায়।
ফেডারেল সরকার মা-বাবা ও সন্তানদের বন্দি রাখার সক্ষমতা নাটকীয়ভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনাও নিয়েছে, যেটা আগামী কয়েক দশকে দেশের সবচেয়ে বড় পারিবারিক আটক কর্মসূচিতে রূপ নেবে।
পরিকল্পনাগুলোও এখনও ভাঙা-গড়ার স্তরে আছে এবং কিছু চুক্তি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
এ বিষয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট কথা বলে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিনের সঙ্গে।
তিনি এক ইমেইলে জানান, পরিকল্পনার নথিগুলো করেছে আইস। তার ভাষ্য, তালিকায় থাকা চুক্তির বিষয়টি ‘সঠিক নয়’।
যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি তিনি।
