ইরানে জ্বালানি স্থাপনায় হামলার পর ‘ব্ল্যাক রেইন’, সতর্কতা জারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১০ ২০২৬, ১৭:০৯

তেহরানের তেল সংরক্ষণাগারে হামলার পর অগ্নিকাণ্ডের চিত্র।ছবি:আল জাজিরা

তেহরানের তেল সংরক্ষণাগারে হামলার পর অগ্নিকাণ্ডের চিত্র।ছবি:আল জাজিরা

  • 0

সংস্থাটির মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমেইয়ার মঙ্গলবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সোমবার তেল স্থাপনায় হামলার পর সৃষ্ট আগুন ও ধোঁয়ার কারণে বাতাসে প্রচুর পরিমাণে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ছড়িয়ে পড়েছে। যার ফলে সৃষ্ট ব্ল্যাক রেইনে মানুষের শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্য তীব্র ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

ইরানে তেল সংরক্ষণাগার ও জ্বালানি স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার পর রাজধানী তেহরানসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ‘ব্ল্যাক রেইন’ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে মানুষের স্বাস্থ্যের ঝুঁকির কথা জানিয়ে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

সংস্থাটির মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমেইয়ার মঙ্গলবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সোমবার তেল স্থাপনায় হামলার পর সৃষ্ট আগুন ও ধোঁয়ার কারণে বাতাসে প্রচুর পরিমাণে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ছড়িয়ে পড়েছে। যার ফলে সৃষ্ট ব্ল্যাক রেইনে মানুষের শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্য তীব্র ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

সংস্থাটি জানায়, হামলার কারণে বাতাসে বিষাক্ত হাইড্রোকার্বন, সালফার অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন যৌগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব কণার সংস্পর্শে এলে মাথাব্যথা, চোখ ও ত্বকে জ্বালা এবং শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এসব রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলে ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।

ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের গবেষক অক্ষয় দেওরাস জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বাতাসে থাকা দূষিত কণা মিশে এই কালো বৃষ্টি তৈরি হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় দূষিত বাতাসে থাকার ঝুঁকিই বেশি।

তিনি বলেন, মানুষ ঘরের ভেতরে থাকলে বা বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করলে নিজেদের কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে।

এছাড়া আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী সপ্তাহের বাকি সময়ে শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে, ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর মান ধীরে ধীরে উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।