বিদেশি কর্মী নিয়োগের এইচ-১বি ভিসার নতুন আবেদনকারীদের জন্য এক লাখ ডলার ফি নির্ধারণে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ঠেকাতে শুক্রবার মামলা করেছে শ্রমিক সংঘ, নিয়োগকর্তা ও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর একটি জোট।
রয়টার্স জানায়, সান ফ্রান্সিসকোর ফেডারেল আদালতে এ মামলা করা হয়, যা দুই সপ্তাহ আগে ট্রাম্পের ফি বাড়ানোর ঘোষণাকে চ্যালেঞ্জ করা প্রথম আইনি পদক্ষেপ।
মামলার বাদীদের মধ্যে রয়েছে ইউনাইটেড অটো ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন, অ্যামেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রফেসরস, নার্স নিয়োগকারী একটি সংস্থা এবং কয়েকটি ধর্মীয় সংগঠন।
তাদের যুক্তি, যে আইনের ভিত্তিতে এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচি তৈরি হয়েছিল, তাকে পাশ কাটানোর অধিকার রাখেন না ট্রাম্প।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রয়টার্সের প্রশ্নের তাৎক্ষণিক উত্তর দেয়নি হোয়াইট হাউস।
এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে বিশেষায়িত খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে পারেন অ্যামেরিকার নিয়োগকর্তারা। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বিদেশি নিয়োগে ব্যাপকভাবে নির্ভর করে এ ভিসার ওপর।
সমালোচকদের ভাষ্য, নিয়োগকর্তারা প্রায়ই অ্যামেরিকানদের পরিবর্তে কম বেতনে বিদেশি নিয়োগ দিতে এইচ-১বি ভিসাকে ব্যবহার করেন, তবে ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও বড় কোম্পানিগুলোর ভাষ্য, যোগ্য অ্যামেরিকান কর্মীর ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ উপায় এইচ-১বি ভিসা।
যেসব নিয়োগকর্তা বর্তমানে এইচ-১বির ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করেন, তারা সাধারণত ফি বাবদ দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার ডলার দেন। এ ফি নির্ভর করে কোম্পানির আকার ও অন্য বিষয়গুলোর ওপর।
ট্রাম্পের আদেশের ফলে নিয়োগকর্তারা অতিরিক্ত এক লাখ ডলার ফি না দিলে এইচ-১বি ভিসায় অ্যামেরিকায় প্রবেশ করতে পারবেন না বিদেশি কর্মী।
ফেডারেল প্রশাসন জানিয়েছে, যারা ২১ সেপ্টেম্বরের আগে এইচ-১বি ভিসার জন্য আবেদন করেছেন কিংবা যারা এরই মধ্যে এইচ-১বি ভিসা পেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে নতুন ফি প্রযোজ্য হবে না।