বিপজ্জনক অভিবাসন পথে ১ বছরে নিহত ৮০০০ অভিবাসী: আইওএম

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬ ২০২৬, ১৭:০৯

সুইজ্যারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত আইওএমের সদর দপ্তর। ছবি: সুইস ইনফো

সুইজ্যারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত আইওএমের সদর দপ্তর। ছবি: সুইস ইনফো

  • 0

আইওএম জানায়, গত বছর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়েই মারা গেছেন ২হাজার ১০৮জন মানুষ। স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আটলান্টিক রুটে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪৭ জনের।

গত বছর বিশ্বজুড়ে বিপজ্জনক ও অবৈধ অভিবাসন পথ যাত্রা করা ৮০০০হাজার ব্যক্তি নিখোঁজ কিংবা মারা গেছেন বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন-আইওএম।

তহবিল স্বল্পতায় মৃত্যুর তথ্য সংগ্রহে প্রতিকূলতা তৈরি হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করেছে আইওএম।

আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, দিন দিন বৈধ অভিবাসন পথগুলোর সংখ্যা কমে আসছে। ইউরোপ, অ্যামেরিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে বিনিয়োগ বাড়ছে।

যার ফলে আগের তুলনায় আরও বেশি মানুষ দালাল ও পাচারকারীদের সহায়তায় অবৈধ পথে অন্যত্র পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

আইওএমের মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘অভিবাসন পথগুলোতে প্রাণহানি একটি বৈশ্বিক ব্যর্থতা। আমরা এটি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারি না।’

পোপ আরও বলেন, ‘এগুলো কোনো অনিবার্য মৃত্যু নয়। যখন নিরাপদ পথগুলো নাগালের বাইরে, তখনই মানুষ পাচারকারীদের সহায়তায় বিপজ্জনক পথ বেছে নেয়।‘

আইওএম জানায়, গত বছর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়েই মারা গেছেন ২হাজার ১০৮জন মানুষ। স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আটলান্টিক রুটে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪৭ জনের।

মৃত্যু তালিকায় নথিভুক্ত এশিয়ার তিন হাজার অভিবাসী, যাদের মধ্যে অর্ধেক হলেন আফগান নাগরিক।

এছাড়া হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চল থেকে ইয়েমেন হয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোতে যাওয়ার পথে মারা গেছেন ৯২২ জন, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি।

এছাড়া এখনও সমুদ্রপথকে সবচেয়ে বিপজ্জনক অভিবাসন পথ হিসেবে উল্লেখ করে সংস্থাটি।