Skip to main content

নারী নিপীড়নের অভিযোগে তালেবানপ্রধান আখুনজাদার বিরুদ্ধে আইসিসির পরোয়ানা

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৮ ২০২৫, ১৭:১১ হালনাগাদ: এপ্রিল ৩ ২০২৬, ১৭:১৩

তালেবানপ্রধান হয়বতুল্লাহ আখুনজাদা। ছবি: রয়টার্স

তালেবানপ্রধান হয়বতুল্লাহ আখুনজাদা। ছবি: রয়টার্স

  • 0

আইসিসির বিচারকদের ভাষ্য, তালেবান সরকার শিক্ষা, গোপনীয়তা ও পারিবারিক জীবন, চলাচল, মতপ্রকাশ, চিন্তা, বিবেক ও ধর্মীয় অধিকার ও স্বাধীনতা থেকে মেয়ে ও নারীদের ‘মারাত্মকভাবে বঞ্চিত’ করেছে।

নারী ও মেয়েদের নিপীড়নের অভিযোগে আফগানিস্তানে তালেবানপ্রধান হয়বতুল্লাহ আখুনজাদাসহ সংগঠনটির দুই শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত-আইসিসি।

আদালতের বিচারকরা মঙ্গলবার বলেছেন, তালেবান সরকারের সর্বোচ্চ নেতা আখুনজাদা ও প্রধান বিচারপতি আবদুল হাকিম হাক্কানিকে জেন্ডারভিত্তিক নিপীড়নে অভিযুক্ত করার ‘যৌক্তিক ভিত্তি’ ছিল।

আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, তালেবান গোটা দেশের মানুষের ওপর সুনির্দিষ্ট কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করলেও তারা জেন্ডারের কারণে বিশেষভাবে মেয়ে ও নারীদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। তাদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করছে তালেবান।

আইসিসির বিচারকদের ভাষ্য, তালেবান সরকার শিক্ষা, গোপনীয়তা ও পারিবারিক জীবন, চলাচল, মতপ্রকাশ, চিন্তা, বিবেক ও ধর্মীয় অধিকার এবং স্বাধীনতা থেকে মেয়ে ও নারীদের ‘মারাত্মকভাবে বঞ্চিত’ করেছে।

যৌনতা ও জেন্ডার পরিচয় সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কিছু অভিব্যক্তির জন্য অন্য ব্যক্তিদেরও তালেবান লক্ষ্য বানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে আইসিসি। আদালতটির মতে, এ ধরনের অভিব্যক্তিকে নিজেদের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন মনে করেছে তালেবান।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, তালেবানের বিরুদ্ধে অপরাধের যেসব অভিযোগ ছিল, সেগুলো সংঘটিত হয় ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট ক্ষমতা গ্রহণের সময় থেকে কমপক্ষে চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি নাগাদ।

আদালতের প্রধান কৌঁসুলি করিম খান জানুয়ারিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তালেবান কর্তৃক আফগান নারী ও মেয়ে এবং এলজিবিটিকিউআই+ কমিউনিটি নজিরবিহীন, বিবেকহীন ও নিত্য নিপীড়নের স্বীকার হওয়ার বিষয়টি আমলে নিয়েছেন তারা।

আইসিসির পরোয়ানাকে স্বাগত জানিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশণাল বলেছে, এটি ন্যায়বিচারের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।