
খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করা হয়েছে: মির্জা আব্বাস

টিবিএন ডেস্ক
প্রকাশিত: নভেম্বর ২৯ ২০২৫, ১২:২৯

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ছবি: বাসস
- 0
ন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।'
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন জানিয়েছেন, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপোষহীন দেশনেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে, তাকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।
মাহাদী আমিন তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে আজ এক পোস্টে লিখেছেন, 'দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যেন আজ পুরো বাংলাদেশের আবেগ, আকাঙ্ক্ষা ও অনুভূতির প্রকাশ। এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তার চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।'
এদিকে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা স্বাভাবিক নয় দাবি করে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ তুলেছেন, জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জনিং’ করা হয়েছিল।
শনিবার বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজিত রূপসী বাংলা আলোকচিত্রী প্রদর্শনী ও প্রতিযোগীতা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, জাতির প্রতি অনুরোধ করব, প্রতিটি বাড়িতে প্রতিটি মানুষ যেন খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করেন। তার ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, তা আমি দেখেছি। জেলে থাকাকালে তিনি স্লো পয়জনিংয়ের শিকার হয়েছেন। তার বর্তমান অসুস্থতা স্বাভাবিক নয়।
খালেদা জিয়া আগের তুলনায় কিছুটা উন্নতির দিকে থাকলেও এখনো সংকট কাটেনি উল্লেখ করে ‘জনগণের প্রিয়’ এই নেত্রীর সুস্থতার কামনায় তিনি সবাইকে দোয়া করার আহ্বান জানান।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনও।
উল্লেখ্য, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত ২৩ নভেম্বর রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে খালেদা জিয়ার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আগে থেকেই থাকা হৃদরোগের সঙ্গে এই সংক্রমণ ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। বর্তমানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।