
হেফাজত থেকে মুক্ত আলোচিত অভিবাসী গার্সিয়া

টিবিএন ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ২২ ২০২৫, ২০:৩৫ হালনাগাদ: সেপ্টেম্বর ৫ ২০২৫, ১৩:৩৪

আলোচিত অভিবাসী কিলমার অ্যাব্রেগো গার্সিয়া। ছবি: এবিসি নিউজ
- 0
ফেডারেল এক বিচারকের রায়ের ফলে মুক্ত হওয়ার পর গার্সিয়াকে আটক করতে পারবে না অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।
টেনেসির হেফাজত থেকে মুক্ত হয়েছেন চলতি বছরের মার্চে ভুলক্রমে এল স্যালভাদরে বিতাড়নের পর অ্যামেরিকায় ফেরানো আলোচিত অভিবাসী কিলমার অ্যাব্রেগো গার্সিয়া।
তিনি ম্যারিল্যান্ডের পথে রয়েছেন বলে এবিসি নিউজকে জানিয়েছেন তার এক আইনজীবী।
সংবাদমাধ্যমটি শুক্রবার জানায়, স্যালভাদরের অভিবাসী গার্সিয়াকে দেশটি থেকে জুনে অ্যামেরিকায় আনে ফেডারেল সরকার। মানব পাচারের অভিযোগের মুখোমুখি হতে তাকে রাখা হয় ফৌজদারি হেফাজতে।
ফেডারেল এক বিচারকের রায়ের ফলে মুক্ত হওয়ার পর গার্সিয়াকে আটক করতে পারবে না অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।
গত মাসে দেওয়া রায়ে বিচারক গার্সিয়াকে ম্যারিল্যান্ডে ফেরাতে সরকারকে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে টেনেসি থেকে মুক্ত হওয়ার পর প্রশাসন কর্তৃক তার বিতাড়নও আটকে দেন তিনি।
চলতি সপ্তাহে গার্সিয়ার আইনজীবীরা জানান, তাদের মক্কেলকে ম্যারিল্যান্ডে নিতে একটি বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানিকে নিয়োগ করেছেন তারা।
আদেশে কী জানিয়েছিলেন বিচারক
গত বছরের জুলাইয়ে দেওয়া আদেশে ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জাজ পলা জিনিস জানান, ম্যারিল্যান্ডে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইসের তত্ত্বাবধানে থাকবেন গার্সিয়া। মার্চে বিতাড়নের আগে ম্যারিল্যান্ডে স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে ছিলেন এ অভিবাসী।
বিচারক বলেছিলেন, আইসের তত্ত্বাবধানে থাকাটা ভুলক্রমে বিতাড়িত একজন বিদেশিকে কার্যকরভাবে স্বস্তি দেওয়ার জন্য অপরিহার্য।
জুলাইয়ের আদেশে বিচারক আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন জন্মভূমির বাইরে অন্য কোনো দেশে গার্সিয়াকে বিতাড়ন করতে চাইলে ৭২ ঘণ্টা আগে নোটিশ দিতে হবে।
গার্সিয়াকে মার্চে স্যালভাদরের কুখ্যাত সিকট কারাগারে বিতাড়ন করে ট্রাম্প প্রশাসন। যদিও ২০১৯ সালের এক আদেশে তাকে বিতাড়নে বারণ করা হয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, গার্সিয়া অপরাধী গ্যাং এমএস-১৩ সদস্য। যদিও তার পরিবার ও আইনজীবীরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
অ্যামেরিকায় ফেরানোর পর অনথিভুক্ত অভিবাসীদের পাচারের অভিযোগের মুখোমুখি হতে তাকে টেনেসিতে পাঠানো হয়। আদালতে দোষ স্বীকার করেননি গার্সিয়া।